গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর শুক্রবার রাত থেকেই জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর বিজয়নগরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কার্যালয়ের সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন। অপরিচিত কাউকে দেখলেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে শুক্রবার রাত ১০টার পর থেকে সেনাবাহিনী নেই।
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আবারও সংঘর্ষ এড়াতে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ।
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যায় কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে আবারও মুখোমুখি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করে। এ সময় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ উভয়পক্ষের বেশ কয়েক জন নেতাকর্মী আহত হন।
গুরুতর আহত নুরকে প্রথমে কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে নেওয়া হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার চিকিৎসায় ছয় সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
এদিকে হামলার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দায়ী করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ও অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে বিকাল ৩টায় বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে দলটি। এতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদেরও বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে। সারা দেশও একই কর্মসূচি পালিত হবে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।








