পাটকল বন্ধের ‘অন্যায়’ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি বিএনপির

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:২১, জুন ২৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৩৯, জুন ২৯, ২০২০

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ছবি: সালমান তারেক শাকিল)সরকারি মালিকানাধীন পাটকলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার সরকারি উদ্যোগের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই  সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায়’ হিসেবে মন্তব্য করে অবিলম্বে পাটকল খুলে দেওয়ার দাবি জানান।

সোমবার (২৯ জুন) বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপির মহাসচিব বলেন,  ‘বিদ্যমান করোনা সংকটকালে দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে বাংলাদেশ পাটকল সংস্থার ২৯টি শিল্পে লে-অফ  শ্রমিক এবং তাদের পরিবারের লাখ লাখ নারী-পুরুষ ও শিশুকে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অমানবিক অসময়োচিত ও অন্যায় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘যখন কোনও শ্রমিক-কর্মচারীকে ছাঁটাই না করার শর্তে আমরা দেশের সব শিল্প রক্ষার জন্য সরকারি সহায়তা ও সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের দাবি জানাচ্ছি,সিপিডিসহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান যখন আইন করে এই দুঃসময়ে লে-অফ শ্রমিক ছাঁটাই কিংবা কারখানা বন্ধ না করার দাবি জানাচ্ছে, তখন সরকারের এমন গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নাগরিকদের প্রতি দায়িত্বহীনতার পরিচায়ক।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন কোনও অন্যায় ও অসময়োচিত সিদ্ধান্ত না নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।’

ফখরুল বলেন, ‘শ্রমজীবী মানুষ ও শিল্পবিরোধী এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শ্রমিক-কর্মচারীদের শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক কর্মসূচির প্রতি আমরা সমর্থন জানাচ্ছি।’

 সরকারেরকাছে জননিরাপত্তারবিষয়টিগুরুত্বহীন

সোমবার রাজধানীর বুড়িগঙ্গায় লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি সমবেদনা ও তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল। লঞ্চ ডুবে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩০ জনের হৃদয় বিদারক ও মর্মস্পর্শী মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন করেন, ‘আজ সকালে বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চ ডুবিতে অন্তত ৩০ জনের নির্মম মৃত্যুর খবরে আমি খুবই বেদনাহত হয়েছি। আমরা এখনও জানতে পারিনি সর্বশেষ অবস্থা কী। কারণ, এখনও উদ্ধার কাজ চলছে। এই দুর্ঘটনায় নিহতদের শোকাহত পরিবারের সদস্যদেরকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমার জানা নেই।’

ফখরুল বলেন, ‘সরকার নিজেদের ক্ষমতা সামলাতেই ব্যস্ত থাকার কারণে জননিরাপত্তার বিষয়টির প্রতি সবসময় গুরুত্বহীন থেকেছে। যে কারণে প্রতিনিয়ত এধরনের দুর্ঘটনার শিকার হয়ে অসংখ্য মানুষ অকালে প্রাণ হারাচ্ছে। পরিবহন সেক্টরে চরম নৈরাজ্য বিরাজ করছে। কর্তৃত্ববাদী সরকার ক্ষমতায় থাকলে মানুষের জানমালের কোনও নিরাপত্তা থাকে না। আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাবে যানবাহনে যাত্রীদের জীবন-মরণের এখন কোনও গ্যারান্টি নেই।’

/এসটিএস/এপিএইচ/

লাইভ

টপ