বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকে বসেছেন গণফোরাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়ে গঠিত ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। বুধবার (১৭ অক্টোবর) রাত রাত ৯ টা ৩০ মিনিটে বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সুলতান মনসুর, জেএসডি সভাপতি আ স ম রব, নাগরিক ঐকের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, প্রেসিডিয়াম সদস্য তানিয়া রব ও নাগরিক ঐক্যের নেতা ডা. জাহেদ উর রহমান।
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বৈঠকের শুরুতে নেতাদের শুভেচ্ছা জানান।
এর আগে ২০১৫ সালে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সন্তান আরাফাত রহমান কোকো মৃত্যুর পর ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্না, আ স ম আবদুর রব, সুব্রত চৌধুরী, সুলতান মনসুর আহমদসহ অনেকেই গিয়েছিলেন খালেদা জিয়াকে সান্ত্বনা দিতে।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনও বৈঠকে অংশ নিতে এসেছেন। রাত নয়টার দিকে গুলশান-২-এ চেয়ারপারসন কার্যালয়ে বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
ঐক্যফ্রন্টের শরিক নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. জাহেদ উর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে অংশ নিতে বিএনপির কার্যালয়ে এসেছি।’
বিএনপির চেয়ারপাসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘১৯৯১ সালে রাশেদ খান মেননসহ অনেকের থাকার কথা ছিল বিএনপির সরকারে, যদিও ওই সময় আর তা হয়নি। আগামীতে হয়তো এর সম্ভাবনা দেখা যেতে পারে। তবে যে দলগুলোর নেতারা এসেছেন, তাদের অনেকেই আরাফাত রহমান কোকোর মৃতু্র পর এসেছিলেন। গুণগত পরিবতর্নের শুরু হয়তো এখান থেকেই।’
এদিকে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একটি সূত্র বলছে, আগামী ২৬ অক্টোবর চট্টগ্রাম এবং আগামী ৩০ অক্টোবর খুলনায় সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজকের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে এ তথ্য জানাতে পারেন জোটের নেতারা।
প্রসঙ্গত, গত ১৩ অক্টোবর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়। জোটে চারটি দল রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার আসম রবের বাসায় জোট গঠনের পর প্রথম বৈঠক হয়। আজ বসছে দ্বিতীয় বৈঠক।
জোটের একাধিক নেতা জানান, আজকের বৈঠকে লিয়াজোঁ কমিটি গঠন হতে পারে। প্রত্যেক দল থেকে দুজন করে সদস্য থাকতে পারেন এই কমিটিতে। এছাড়া জোটের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন আজকের বৈঠকে থাকছেন না।








