ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরু এবং বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খানের মধ্যে বিবাদ মিটেছে। বাংলাদেশ ছাত্র, যুব ও শ্রমিক অধিকার পরিষদের এক যৌথ আলোচনা সভায় ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান ও যুগ্ম আহ্বায়ক সোহরাব হোসেনকে স্বপদে বহাল করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
রবিবার (৪ জুলাই) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান নুরুল হক নূর।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একইসঙ্গে আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে ছাত্র অধিকার পরিষদ ও ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যুব অধিকার পরিষদের কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব বাছাই ও নতুন কমিটি গঠনে স্ব স্ব সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে সংগঠনটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু হানিফ বলেন, ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে সেই লক্ষে প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে দুঃখপ্রকাশ করেছেন রাশেদ খান। তিনি ফেসবুকে লিখেন, দেশের মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা বয়সে তরুণ যে কারণে মাঝেমাঝে বক্তব্য, কথা, কাজের মধ্যে ভুল করে বসি। নুর ও আমার মধ্যে যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিলো, সেটা আলোচনার মাধ্যমে সুন্দর সমাধান হয়েছে। আশা করি, ভবিষ্যতে নিজেরা চলার পথে আরও বেশি সতর্ক থাকবো। নুর ও আমার মধ্যে কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরুর দিন থেকে সুসম্পর্ক ছিলো, ভবিষ্যতেও সম্পর্ক ধরে রেখে নিজেরা ঐক্যবদ্ধ থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো, ইনশা আল্লাহ। দেশের মানুষকে আমরা অভিভাবক মনে করি। আমাদের ভুল হলে অবশ্যই সমালোচনা করবেন, পরামর্শ দেবেন; যাতে শুধরিয়ে নিয়ে নিজেদের পরিপক্ব হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।









