শ্রমজীবী মানুষকে সহায়তা করতে সরকারের ৫-৬ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার সামর্থ্য আছে কিনা, তা জানতে চেয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। সোমবার (৫ জুলাই) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো জোটের নেতা রাজেকুজ্জামান রতন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জোটের শীর্ষনেতারা এ প্রশ্ন তোলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে হলে লকডাউনের দরকার আছে। কিন্তু যে শ্রমজীবী মানুষ দিন আনে দিন খায়, হাত চললে পেট চলে এমন হতদরিদ্র মানুষের খাবার নিশ্চয়তা বিধান না করে সেনাবাহিনী পুলিশ দিয়ে কি মানুষকে ঘরবন্দি করে রাখা যাবে? ১ জুলাই থেকে গত ৫ দিনে এটা স্পষ্ট যে খাবার না দিলে মানুষ করোনার ভয়ে ঘরে বন্দি থাকবে না, থাকছে না।
জোটের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুই সপ্তাহ লকডাউনের জন্য একটি পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ৩ কেজি ডাল, ৫ কেজি আলু, ২ লিটার তেল এবং নগদ ৫০০ টাকা করে দিলে মোট ২০০০/২৫০০ হাজার টাকা অর্থাৎ ২ কোটি মানুষের জন্য মোট ৫/৬ হাজার কোটির প্রয়োজন হতো। এ টাকা দেওয়ার সামর্থ কি সরকারের নেই?
জোটের নেতাদের প্রশ্ন, ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট যে সরকার করতে পারে সেই সরকার কি এ টাকা দিতে পারবে না। আসলে এটা সামর্থ্যর ব্যাপার না দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার।
বিবৃতিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ ও পরিষদের সদস্য মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, মোহাম্মদ শাহ আলম,খালেকুজ্জামান, সাইফুল হক, মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, জোনায়েদ সাকি, মোশাররফ হোসেন নান্নু, মোশরেফা মিশু, ইকবাল কবির জাহিদ, হামিদুল হকের নাম উল্লেখ করা হয়।









