শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের স্মরণসভায় তার ছেলে মাওলানা মামুনুল হকের মুক্তি চেয়েছেন আলেমরা। শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত কাজি বশির উদ্দিন মিলনায়তনে ‘শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের জীবন ও কর্ম’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ দাবি করা হয়। সভার আয়োজন করে শায়খুল হাদিস পরিষদ। সভাটি এ রিপোর্ট লেখার সময় চলছিল।
অনুষ্ঠানে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের বলেন, ‘শায়খুল হাদিস বলতে বাংলাদেশে একমাত্র শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হককেই বোঝায়। তার জীবনের খেদমতের জন্য যেন আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তার মতো মানুষের প্রয়োজন হচ্ছে। আমরা যদি এক হতে পারি তাহলে কোন বাধাই আমাদের বাধা হতে পারে না। আসুন আমরা এক হই।’
ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহির সেক্রেটারি হযরত মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বলেন, 'আমি আজ কিছু কথা ইঙ্গিতে বলতে চাই। আপনারা যারা বুদ্ধিমান ও বুঝের মানুষ আছেন তারা বুঝবেন। শায়খুল হাদিসের ওপর যে ঝড় এসেছে তা উপেক্ষা করে শায়খুল হাদিস এখন অনেক শক্ত অবস্থানে আছে। শায়খুল হাদিস কখনও কোন অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি আমরা যারা তার অনুসারী আছি আমরাও তা করবো না।’
তিনি আরও বলেন 'ঊষার দুয়ারে হানি আঘাত, আমরা আনিব রাঙাপ্রভাত'। আল্লাহ পাক আমাদের শায়খুল হাদিসের ওপর জীবন পরিচালনার তৌফিক দান করুন।
ইসলামি বক্তা আবুল হাসানাত বলেন, ‘শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক যেমন বার-বার কারাবরণ করেছেন, তেমনি মামুনুল হককেও বার বার কারাগারে যেতে হচ্ছে। অন্তরে কষ্ট নিয়ে আমরা দিনাতিপাত করছি। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার যেনও দ্রুত মামুনুল হককে মুক্তি দেন।
মানিকগঞ্জের পীর হযরত মাওলানা সাঈদ নূর বলেন, যারাই জেলে বন্দী আছেন, তাদের মুক্তি দেওয়া হোক।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (বেফাক)-এর মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ নাহিদুর রহমান এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাওলানা তাফাজুল হক আজিজ।
আলোচনায় অংশ নিতে উপস্থিত আছেন, হেফাজত আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী (প্রতিনিধির মাধ্যমে বক্তব্য), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করীম জালালী। হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা ইয়াহইয়া, জমিয়তে উলামা ইসলামের সভাপতি জিয়া উদ্দিন,খেলাফত মজলিসের মহাসচিব, ড. আহমদ আব্দুল কাদের, খেলাফত আন্দোলনের আমীর আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, মধুপুরের পীর সাহেব আব্দুল হামিদ, হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান সহ বিভিন্ন মাদ্রাসার সহস্রাধিক শিক্ষার্থী, শীর্ষস্থানীয় আলেম-উলামারা যারা মিলনায়তন ও মিলনায়তনের বাইরে উপস্থিত ছিলেন।









