সংসদে যেতে ইসলামি দলগুলোর জোর তৎপরতা

সালমান তারেক শাকিল ও চৌধুরী আকবর হোসেন
০৯ মে ২০২৩, ২২:০২আপডেট : ০৯ মে ২০২৩, ২২:২২

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভেতরে-ভেতরে আলোচনা শুরু করেছে দেশের বেশিরভাগ ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল। দৃশ্যত নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে অবস্থান ব্যক্ত করলেও আদতে বেশিরভাগ দলই ক্ষমতাসীন দলের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী। তবে, এক্ষেত্রে যেকোনোভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা ও আসনকেন্দ্রিক সমঝোতার মধ্য দিয়ে যেতে চান এসব দলের শীর্ষ নেতারা।

নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ধর্মভিত্তিক দল রয়েছে ১০টি। এগুলো হচ্ছে— জাকের পার্টি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ও  খেলাফত মজলিস। এদের মধ্যে প্রায় সবাই এবং আরও  বেশ কয়েকটি অনিবন্ধিত দল ও সংগঠনের নেতারা ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনেই নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।

ইসলামি দলগুলোর ডজনখানেক নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও  খেলাফত মজলিস দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে। ইতোমধ্যে দলের ভেতরে নেতারা নিজেদের আসনকেন্দ্রিক প্রস্তুতি-প্রচারণা শুরু করেছেন। পাশাপাশি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন নির্বাচনি কৌশল নিয়ে।

এই দলগুলোর মধ্যে ব্যতিক্রম ইসলামী ঐক্যজোট। বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে কোনও সুবিধা না পাওয়ায় দলটির নেতারা এখনও এক পা পেছান আরেক পা এগোন। তবে নেতারা আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৫টি আসনে প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

দলের ভারপ্রাপ্ত প্রচার সচিব মাওলানা আনছারুল হক ইমরান বলেন, ‘ইসলামী ঐক্যজোটের নেতারা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন। তাই কেউ মন্তব্য করতে চান না। নির্বাচন কোন ধরনের হবে, সেটা এখনও নিশ্চিত না। নির্বাচনের প্রস্তুতি এক বছর আগে থেকে শুরু করেছি। ১০০ আসনকে সামনে রেখে প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চট্টগ্রামসহ বেশ কিছু এলাকায় দলের অবস্থান ভালো। কারও সঙ্গে জোট হলে সেক্ষেত্রে আসন বণ্টন করে প্রার্থী দেওয়া হবে।’

বিএনপি-জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া খেলাফত মজলিসের বেশ কয়েকজন নেতা নির্বাচনি প্রস্তুতি শুরু করেছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দলের যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী। তিনি সিলেটের বিশ্বনাথে তার সংসদীয় আসনে গত রমজানের ঈদের সময় থেকেই নির্বাচনের আভাস দিয়েছেন। এলাকায় ফেস্টুন লাগিয়েছেন তার ভক্ত-অনুসারীরা।

মজলিসের গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা জানান, মজলিসের অন্তত ২০ থেকে ৩০টি আসনের প্রার্থীরা নির্বাচনে আগ্রহী। এরমধ্যে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা আবদুল বাসিত, মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব মুনতাসির আলীর নাম উল্লেখযোগ্য।

এ বিষয়ে খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল জলিল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সব সময় নির্বাচনের প্রস্তুতির মধ্যেই থাকি। আমরা নির্বাচনপন্থী দল। সারা দেশে আমাদের অন্তত ৫০ থেকে ১০০টি আসনে নির্বাচন করার প্রস্তুতি আছে। আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো কিনা, এ বিষয়ে দলীয়ভাবে এখনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।’

আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম। দলটির মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সংসদীয় আসন বিন্যাস অনুযায়ী প্রার্থী বাছাই, তালিকা প্রস্তুত করছি। যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে। আমাদের দলের প্রার্থীরা দলীয় প্রতীকে বেশ কিছু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে আশা করছি।’

জমিয়তের একজন প্রভাবশালী নেতা জানান, অন্তত ৮০-১০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন দলের সিনিয়র নেতারা। তবে, শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক ও নির্বাচনি পরিবেশ বিবেচনায় এই সংখ্যায় পরিবর্তন আসবে।

জমিয়তের মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, ‘আমরা দেশের রাজনৈতিক ও নির্বাচনি পরিবেশ অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের দলের ফোরাম বৈঠক করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করবে।’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতারা জানিয়েছেন, দলীয়ভাবে নির্বাচন নিয়ে তারা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। একইসঙ্গে সারাদেশে দলীয় নেতাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে, নির্বাচনি তথ্য সংগ্রহের জন্য।

দলের আরেকটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা ইসমাঈল নুরপুরী, কারাগারে আটক নেতা মাওলানা মামুনুল হকসহ বেশ কিছু নেতা এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিতে অনাগ্রহী। তবে, দলের মধ্যে শক্তিশালী অংশটি চাইছে নির্বাচনে অংশ নিতে।

এসব বিষয়ে মঙ্গলবার (৯ মে) রাতে মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা নির্বাচন নিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আছি। নির্বাচন কিভাবে হবে, বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন নিয়ে কী করছে। সব বিষয় বিবেচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।’

সারাদেশে নেতাদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে জালালুদ্দীন বলেন, ‘যারা নির্বাচন করতে চান, তাদের তথ্য সংগ্রহ করছি। আমরা নির্বাচন করার জন্য নির্বাচনে যাবো না, ভালোভাবে মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি বিবেচনা করেই প্রার্থী ঠিক করে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’

জোট হলে আসনকেন্দ্রিক সমঝোতার ইঙ্গিত

বেশ কয়েকটি ধর্মভিত্তিক দলের নেতারা জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে এখনও সুনিশ্চিত কোনও পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। তবে এরইমধ্যে সরকারের সঙ্গে সখ্যতা থাকার সুবাদে নির্বাচনি পরিকল্পনায় ক্ষমতাসীন দলের কৌশলকেই প্রাধান্য দিতে চান ইসলামি দলগুলোর নেতারা। এক্ষেত্রে নির্বাচনে বিএনপি ও অন্যান্য বিরোধী দলের অংশগ্রহণে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে নির্বাচনপন্থি জোট গঠনের আলোচনা শুরু হয়েছে।

যেহেতু আওয়ামী লীগের সঙ্গে সরাসরি ধর্মভিত্তিক দলগুলোর কোনও জোট হওয়ার সম্ভাবনা নেই— সে কারণে কেবলমাত্র ধর্মভিত্তিকদলগুলো এই জোটগঠনে যুক্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে যদি শেষ পর্যন্ত ইসলামি দলের নেতারা একমত পোষণ না করেন, তাহলে ভিন্ন ভিন্ন প্ল্যাটফরমে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও আছে বলে জানান একাধিক দলের নেতারা।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন জোট করার চেষ্টা করেছিল কয়েক মাস আগে, আমাদের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। তবে ফোনে ফোনে আলাপ হলেও সরাসরি কোন বৈঠক হয়নি।’

তবে জালালুদ্দীন আহমদ দাবি করেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে নির্বাচন নিয়ে কোনও চাপ নেই, কোনও অফারও নেই। আমরা দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।

তবে খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল জলিল বলেন, ‘ইসলামি দলগুলো যেন আরও কাছাকাছি আসতে পারি, সেই চেষ্টা অব্যাহত আছে। আর নির্বাচনে বিএনপি যাবে কী যাবে না, এ নিয়ে আমাদের সঙ্গে কোনও তুলনা নেই। আমরা আমাদের পরিকল্পনায় নির্বাচনি সিদ্ধান্ত নেবো।’

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। ৫ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পরিস্থিতি দেখে দলীয় শুরায় আলোচনা করে আমাদের সিদ্ধান্ত হবে।’

তিনি বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন কখনই বিএনপি-আওয়ামী লীগ জোটে যাবে না। ইসলামি দলগুলো নিয়ে আমাদের প্রচেষ্টা আছে, সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ হয় তাহলে জোট হতে পারে। তবে নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকার চায় ইসলামী আন্দোলন।’

একাধিক ইসলামি দলের নেতা দাবি করেন, বিএনপির পক্ষ থেকে একমাত্র ইসলামী আন্দোলন ছাড়া বাকি দলগুলোকে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে নির্বাচনি পরিকল্পনায় বিএনপিকে অনুসরণ করছে না কোনও দল। যদিও কেউ কেউ মনে করেন, ক্ষমতাসীন দলের অবস্থান নড়েবড়ে হলে অনেক ইসলামি দল উল্টে যেতে পারে।

জমিয়ত মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, ‘নির্বাচনি জোট গঠন নিয়ে এখনও পর্যন্ত আমরা কোনও অফার পাইনি, আমরাও কোনও অফার দিইনি কাউকে।’

ইসলামি দলগুলোর নির্বাচনি জোট গঠনের বিষয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইসলামি দলগুলো আলাদাভাবে বা নির্বাচনি জোট করে নির্বাচনে আসলে তাদের আমরা সাধুবাদ জানাই। তারা কিভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে, সেটি তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ার বিষয়।’

বাহাউদ্দিন নাছিম আরও বলেন, ‘১৪ দলীয় জোট গঠন করা হয়েছে আদর্শিকভাবে, একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। এই জোটে ইসলামি দলগুলোর যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেখছি না। নির্বাচনে আসতে তারা তাদের মতো করে জোট করতেই পারে, সেটাকে আমরা স্বাগত জানাবো।’

নির্বাচনি আলোচনায় হেফাজত মহাসচিব

নির্বাচনি আলোচনায় এসেছে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমানের নাম। হেফাজতের একাধিক নেতার ভাষ্য— ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসন থেকে নির্বাচন করার বিষয়ে সাজিদুর রহমানকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

একটি অনির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগের একটি তালিকায় সদর আসন থেকে নির্বাচন করতে সম্ভাব্যদের মধ্যে মাওলানা সাজিদুর রহমানের নাম আছে। তিনি শহরের উপকণ্ঠে দারুল আরকাম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। তবে, সাজিদুর রহমান নিজের পক্ষ থেকে কোনও অবস্থান ব্যক্ত করেননি, বলেও সূত্রটি দাবি করে।

এই সূত্রের দাবি, ‘সাজিদুর রহমান সদর আসনে প্রার্থী হবেন’, এমন খবরে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন  নেতা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মনোভাব জানতে চেয়েছেন। তিনি হ্যাঁ-ও বলেননি, না-ও বলেননি।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে মাওলানা সাজিদুর রহমানকে ফোন করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা যায়নি। পরে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মহিউদ্দিন রাব্বানী বলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনের পদে থেকে নির্বাচনের সুযোগ নেই। কেউ যদি অন্য কোনও সংগঠনে থাকেন, সেক্ষেত্রে সেটি তার বিষয়। আর মহাসচিব সাহেব প্রার্থী হবেন কিনা— এটা তার সঙ্গে কথা বললেই ভালো।’

জেলা আওয়ামী লীগের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমার সঙ্গে ওনার (সাজিদুর রহমান) কথা হয়েছে। উনি এমন আগ্রহ দেখাননি। উনি চাচ্ছেনও না।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।’

জেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা নাম প্রকাশে অনিচ্ছা প্রকাশ করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি যতদূর জানি, যদি নির্বাচনে বিএনপি না আসে, তাহলে ইসলামি দলগুলোর কোনও জোট হলে, সেই জোটের হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনটি ছেড়ে দেওয়া হতে হতে পারে। জোট হলে নির্বাচনি সমঝোতার অংশ হিসেবে আসনটি ছাড়া হতে পারে’, বলে উল্লেখ করেন এই নেতা।

বর্তমানে সদর আসনের এমপি আওয়ামী লীগের জেলা সভাপতি র আ ম উবায়দুল মুকতাদির চৌধুরী। জেলার একজন নেতার ভাষ্য— আগামী নির্বাচনে সদর উপজেলার চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান ওলিও রয়েছেন। স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয়তার কারণে সদর আসনে এমপি প্রার্থী হিসেবে তার নামটিও জোরেশোরে আলোচনায় রয়েছে।

/এমআরএস/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
এবার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হেফাজতের
জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা ভেঙে যাওয়া নিয়ে যা বললেন চরমোনাই পীর 
ঢাকার দুই সিটিতে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম