দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক দলগুলো কর্মসূচি দিচ্ছে এবং মুখোমুখি অবস্থান নিচ্ছে। এর ফলে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ আতঙ্কিত বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ আউয়াল।
শনিবার (১২ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে বাংলাদেশ জনমত পার্টির আয়োজিত ‘সংবিধান, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এম এ আউয়াল বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি আগামী জাতীয় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক দলগুলো কর্মসূচি দিচ্ছে এবং মুখোমুখি অবস্থান নিচ্ছে। এর ফলে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ আতঙ্কিত। কারণ কখন কোন অঘটন ঘটে যায়, তা মানুষ বুঝতে পারছে না।'
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সেই দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। পাশাপাশি মানুষের আস্থার যে সংকট তৈরি হয়েছে, সেই সংকট উত্তরণের দায়িত্বও সরকারকে নিতে হবে। নিশ্চয়ই সরকারি দল সেই উদ্যোগ নেবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবাইকে নিয়ে নির্বাচন করবেন, এটাই জাতি প্রত্যাশা করে। আমরাও সেটি প্রত্যাশা করি।’
আওয়াল বলেন, ‘আজ এই বড় রাজনৈতিক দলগুলো তাদের কর্মসূচি দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কিন্তু এর বাইরে তো বাংলাদেশে অনেক মাঝারি ও ছোট রাজনৈতিক দল রয়েছে। আজ সময় এসেছে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। আজ ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর যে ঐক্য তৈরির আহ্বান চলছে, সেখানে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সে জন্য আজ ঘরে বসে না থেকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এক প্ল্যাটফর্মে আসতে হবে। পাশাপাশি জনগণেরও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় লড়াই করতে হবে। আপনাদের সবার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মধ্য দিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব এই প্রত্যাশা রাখছি।’
বাংলাদেশ জনমত পার্টির আহ্বায়ক সুলতান জিসান উদ্দিন প্রধানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক উপমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক সিদ্দিকী, বাংলাদেশ গণ আজাদী লীগের মহাসচিব-মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান, বাকশালের মহাসচিব এম এ কাইয়ুম ও বিশিষ্ট পরিবেশবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস হাসানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।









