নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য, বিশেষ করে খাদ্য দ্রব্যাদির দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে যাওয়ার ঘটনাকে বাজার ব্যবস্থাপনার চরম ব্যর্থতা বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। রবিবার (২৭ আগস্ট) দলের পলিটব্যুরোর সভায় এ মত প্রকাশ করা হয়। সোমবার (২৮ আগস্ট) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো মনে করে, দেশ যখন চাল, সবজি এমনকি ডিম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ, তখন এসব জিনিসের দাম সপ্তাহে সপ্তাহে, এমনকি দিনে দিনে বেড়ে যাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এর প্রতিটি ক্ষেত্রে খাদ্য, বাণিজ্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিষ্ক্রিয়তা, সমন্বয়হীনতা, সর্বোপরি জনগণকে অবজ্ঞা করার মনোভাব দায়ী।
দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে বাজারে এই অস্থিরতা সৃষ্টি পরিকল্পিত কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারণ ’৭৫- এর আগে একইভাবে দেশের অর্থনীতি নিয়ে সরকারের চারপাশের লোক দিয়ে পরিকল্পিত চক্রান্ত হয়েছিল। এবারও রাজনীতির মাঠে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি কুশীলবরা একইভাবে তৎপর। আন্দোলনের পালে হাওয়া লাগাতে না পারলেও তারা সরকার পতনের ঘোষণা নিয়মিত দিয়ে যাচ্ছে।
ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সভায় বলা হয়, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অস্বাভাবিকতা, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দক্ষিণপন্থী সব শক্তির এক হয়ে যাওয়া এবং নির্বাচন নিয়ে তাদের বিদেশি মুরুব্বিদের অতি আগ্রহ বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ ক্ষেত্রে সরকারি মহলের অতিকথন কর্তৃত্ববাদী আচরণেও ওই ধরনের ষড়যন্ত্র শক্তিশালী হচ্ছে।
সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে পলিটব্যুরোর সভায় অংশ নেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, পলিটব্যুরার সদস্য আনিসুর রহমান মল্লিক, মাহমুদুল হাসান মানিক প্রমুখ।









