নানা আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু করে সংগঠনটি। পরে বিকাল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মুনীর চৌধুরী মিলনায়তনে 'স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে সংগঠনটি।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন— বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক সোমা ডুমরি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম আহ্বায়ক সামি আব্দুল্লাহ, ঢাকা মহানগরের সভাপতি তৈয়ব ইসলাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রনজু হাসান এবং কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, "গণতান্ত্রিক অধিকার এখন সুযোগের জায়গায় চলে গেছে। ব্যয়ভার ঠিক করে দেয় জনগণ তার মৌলিক অধিকার পাবে কিনা। ভোটাধিকার, গণতন্ত্রের ন্যূনতম মাধ্যম হলেও সেটা আজ জনগণের নাই। আইনগতভাবেও ফ্যাসিবাদ কায়েম করা হয়েছে যার নমুনা সাইবার নিরাপত্তা আইন।”
"ইতিহাসে কখনও স্বৈরতন্ত্র-ফ্যাসিবাদ টিকে থাকেনি। এই রেজিমও বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না। আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস, ভীতি সঞ্চারের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকে।' এই ত্রাসকে মোকাবিলা করে জনগণতান্ত্রিক সংগ্রামকে নিজের মধ্যে ধারণ করে বিপ্লবী চিন্তায় নিজেকে আলোকিত করার আহ্বান জানান আলোচকরা।
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফারহা তাহসিনের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায়ের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।








