‘কোটা পদ্ধতিকে সংবিধান পরিপন্থি’ আখ্যা দিয়ে এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, এই কোটা সংস্কার করা না হলে নাগরিকদের মধ্যকার বিদ্যমান শ্রেণিবৈষম্য আরও প্রকট আকার ধারণ করবে, যা কোনও না কোনও সময় গৃহযুদ্ধের পরিণতি ডেকে আনবে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকালে রাজধানীর বিজয়নগরে বিজয়-৭১ চত্বরে দলের পক্ষ থেকে আয়োজিত গণশুনানিতে এ কথা বলেন তিনি।
‘ট্রানজিটের নামে ভারতকে একতরফা করিডোর দেওয়া, বৈষম্যমূলক কোটা পুনঃপ্রবর্তন এবং লাগাতার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি’সহ বিভিন্ন দাবিতে অনুষ্ঠিত এই গণশুনানিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ, পথচারী সাধারণ নাগরিক ও দলীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
কানেক্টিভিটির কথা বলে ভারতের স্বার্থরক্ষাকারী একতরফা চুক্তিগুলোর কারণে জনমনে প্রতিনিয়ত ভারতবিরোধী ক্ষোভ বাড়বে এবং অন্যায্য কোটা পদ্ধতি পুনর্বহালের প্রতিক্রিয়ায় দেশের নাগরিকদের মধ্যকার শ্রেণিবৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এবি পার্টি।
গণশুনানি পরিচালনা করেন দলের সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু। সূচনা বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ভেতর দিয়ে ট্রেনে করে ভারতের নাগরিকরা তাদের এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে চলাচল করতে চাইলে বাংলাদেশের জনগণও ভারতের মধ্যদিয়ে নেপাল, ভুটান ও চীনে সড়ক পথে যাতায়াতের রাস্তা পাওয়ার অধিকার রাখে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো— ক্ষমতাসীন সরকার ভারতের কাছ থেকে আমাদের স্বার্থ আদায়ে মনোযোগী নয়।’
সভাপতির বক্তব্যে এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক বিএম নাজমুল হক বলেন, ‘জনগণের প্রশ্ন হলো— এই সরকারের সব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক কেন শুধু ভারতের স্বার্থে? ভারতের সঙ্গে যৌথ স্যাটেলাইট চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ কী? এতে আমাদের কী উপকার হবে? এই চুক্তি কি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি নয়? জনগণ এসব বিষয়ে জানতে চায়।’









