ঢাকায় কর্মরত ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানির রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রস্টারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবি পার্টির নেতারা। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) এই সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় তাদের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের চ্যালেঞ্জ, নতুন প্রজন্মের রাজনীতি ও অভ্যুত্থান-পরবর্তী আকাঙ্ক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় গুলশানে জার্মান দূতাবাসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এদিন রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।
এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু দ্বিতীয় প্রজন্মের রাজনৈতিক দল হিসেবে এবি পার্টির নীতি, বিশেষ করে ইস্যু-ভিত্তিক রাজনীতি এবং সেবা ও সমস্যা সমাধানমূলক রাজনীতির ধারণা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।
তিনি বলেন, এবি পার্টির রাজনীতির সারমর্ম হলো— নাগরিক অধিকার নিশ্চিত পূর্বক একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। এবি পার্টি অতীতমুখিতা ও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি পরিহার চায়।
মঞ্জু বলেন, জাতি গঠনে ভবিষ্যতের দিকে মনোনিবেশ করা উচিত। ছাত্র-যুবকরা পুরনো রাজনীতিতে ক্লান্ত এবং সত্যিকার অর্থেই একটি রূপান্তরমূলক পরিবর্তন দেখতে চায়, যা এবি পার্টি ধীরে ধীরে আরও স্পষ্ট করে তুলে ধরবে।
এবি পার্টির প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রদূত ট্রস্টারকে অন্তর্বর্তী সরকারকে স্বাগত জানানোর বিষয়ে অবহিত করে এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সংস্কার করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে তারা দৃঢ়ভাবে সম্মত বলে জানান।
তারা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্য প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে এবং রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও ছাত্রসমাজের সমর্থন দিতে হবে। এবি পার্টি এ বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে তুলে ধরে।









