জুলাই আন্দোলনে নিহতদের সম্মান জানাতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারের সমালোচনা করায় আহতদের পরিবার ও বিপ্লবী পরিষদের নেতাকর্মীরা গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসানকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আহত ফারুককে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা করার কথা জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মান জানাতে এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দবস্ত গঠনের জন্য শহীদ মিনারে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন গণঅধিকার পরিষদ নেতা ফারুক হাসান। অনুষ্ঠান চলাকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সমালোচনা করেন ফারুক। এ সময় অনুষ্ঠানে আসা গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা এর প্রতিবাদ করে ফারুকের ওপর হামলা চালায়।
যদিও গণঅধিকার পরিষদের দাবি, হামলার সঙ্গে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নেতাকর্মীরা যুক্ত ছিলেন। তবে এ দাবি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ।
জানতে চাইলে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির মজুমদার সাংবাদিকদের জানান, ‘ফারুকের ওপর হামলার সঙ্গে আমাদের সংগঠনের কেউ জড়িত নয়। অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস এবং অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সমালোচনা করেন ফারুক। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা ফারুকের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান। এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ফারুকের ওপর হামলা চালায়।’
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেন, ‘অনুষ্ঠানে উপস্থিত ১০-১৫ জন ফারুক হাসানের ওপর হামলা করেছে। আগামী দুই ঘণ্টার মধ্যে হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করতে হবে। পুলিশ যদি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেবো।’









