ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর-আদাবর) আসনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলীর কাছে তিনি এই মনোনয়নপত্র জমা দেন।
ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর উত্তরের জয়েন্ট সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুরাদ হোসেন বলেন, “আমরা আশা করছি যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সারা বাংলাদেশের মানুষই নিরাপত্তার হুমকিতে রয়েছে। আমরা যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি, আমরাও চরম উদ্বিগ্ন।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা চাই সরকার দ্রুত একটি ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করুক এবং প্রার্থীসহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি দৃশ্যমান করুক।”
আজ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে এই আসন থেকে আরও বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন— বিএনপির ববি হাজ্জাজ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মোবারক হোসাইন, এনসিপির মো. আকরাম হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) থেকে নেক মোহাম্মদ, নাগরিক ঐক্যের মো. মাহবুবুর রহমান, গণমুক্তি জোটের শাহরিয়ার ইফতেখার, রিপাবলিকান পার্টির আশরাফুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সোহেল রানা। এছাড়া বিএনপি থেকে কামরুজ্জামান জুয়েল এবং স্বতন্ত্র হিসেবে কায়েস মাহমুদ ও শেখ মো. রবিউল ইসলামসহ মোট ১২ জন প্রার্থী এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
উল্লেখ্য, সংশোধিত তফশিলের নির্বাচন সময় সূচি অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।








