গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় তরুণদের দিক নির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে অনলাইনে লেকচার সেশনের আয়োজন করেছে রাইট টু পিস নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। আয়োজকরা বলছেন, ‘আর২পি ইনসাইটস’ নামের একটি ধারাবাহিক লেকচার সিরিজের এটি প্রথম লেকচার, যার বিষয়বস্তু ছিল, ‘রিসার্স, পিএইচডি অ্যান্ড হায়ার স্টাডিজ: জার্নি অ্যান্ড পারসেপশন’।
সম্প্রতি ভার্চুয়াল এই লেকচার সেশনে সম্মানিত বক্তা ছিলেন বোস্টন সায়েন্টিফিক করপোরেশনের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার ও জনপ্রিয় লেখক চমক হাসান। সেশনে স্বাগত বক্তৃতা দেন রাইট টু পিসের চিফ প্যাট্রন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর সাবের আহমেদ চৌধুরী। লেকচার সেশন সঞ্চালনা করেন রাইট টু পিসের একজন স্বেচ্ছাসেবী রাবেয়া আক্তার সাথী।
সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেশনটি মূলত দুটি অংশে বিভক্ত ছিল। প্রথম অংশে সম্মানিত বক্তা চমক হাসান উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ব্যাপারে নিজ বক্তব্য রাখেন। দ্বিতীয় অংশটি ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব, যেখানে তিনি উপস্থিত শ্রোতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
উদ্বোধনী বিবৃতিতে ড. সাবের আহমেদ চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য দেন এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণার প্রয়োজনীয়তা ও এই ক্ষেত্রে ঘাটতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এছাড়াও তিনি রাইট টু পিস ও এর নতুন উদ্যোগ ‘আর২পি ইনসাইটস’ এর উদ্দেশ্য ও কাজের ক্ষেত্রগুলোকে তুলে ধরেন।
পরে মূল বক্তব্যে চমক হাসান প্রথমে গবেষণা এবং এটির প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলেন। তিনি গবেষণার বিভিন্ন ধাপ এবং তা সম্পন্ন করার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত ও ব্যতিক্রম ধারণা দেন। চমক হাসান বলেন, গবেষণা শেষে ফল পাওয়াটা আবশ্যক নয়। একটি নিশ্চিত ফলাফল যে পেতেই হবে এমন কোন কথা নেই। নতুন কিছু আবিষ্কারের উদ্দেশ্যে কাজ করে যাওয়ার প্রক্রিয়াটাই গবেষণা।
উচ্চ শিক্ষা এবং পিএইচডি এর জন্য দেশের বাইরে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা কীভাবে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করবেন তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন চমক হাসান। পিএইচডি এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে এবং কী কী কাজ করা প্রয়োজন তা বর্ণনা করেন।









