নতুন সদস্যদের সংবর্ধনা ও সনদ প্রদান করলো দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফায়েড অ্যাকাউন্ট্যান্টস (এসিসিএ) বাংলাদেশ। গত ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে ছিল এই আয়োজন। করোনা পরিস্থিতির কথা ভেবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছোট পরিসরে পরিচিতি অনুষ্ঠানটি করেছে আয়োজকরা।
এ বছর এসিসিএ বাংলাদেশ ৬৯ জন নতুন সদস্য এবং ৩০ জন নতুন এফসিসিএ সদস্যকে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যোগ দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, ‘গতানুগতিক অনার্স-মাস্টার্স কোর্সের কারণে দেশে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, যা মোটেও কাম্য নয়। তাই কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার চাই, যাতে তারা দেশ-বিদেশে কাজের সুযোগ পায়। আমাদের জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। যদিও বেশকিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, আমরা এসব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। সমস্যা নয়, দেশের জনসংখ্যা পরিণত হবে সম্পদে।’
বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনি মনে করেন, ‘সুশাসন নিশ্চিত করতে মানসম্মত অ্যাকাউন্টিং কোয়ালিফাই সদস্যদের ভূমিকা রয়েছে। এজন্য আমরা এসিসিএ কোয়ালিফাইডদের অনার্স মর্যাদা দিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছি।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান এসিসিএ বাংলাদেশের হেড অব এডুকেশন অ্যান্ড মেম্বার অ্যাফেয়ার্স প্রমা তাপসী খান। এরপর এসিসিএ গ্লোবাল কাউন্সিল সভাপতি অর্লা কলিন্স এবং প্রধান নির্বাহী হেলেন ব্র্যান্ডের ভিডিও বার্তা দেখানো হয়।
এসিসিএ নির্ধারিত পেপার শেষ করে অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্স বিষয়ক তিন বছর কাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সদস্যদের এসিসিএ এবং পাঁচ বছর কাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্নদের এফসিসিএ সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এসিসিএ বরাবরই দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার পাশাপাশি অ্যাকাউন্টিং এবং ফাইন্যান্স পেশাদারদের একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। নবীনদের প্রতি কর্মক্ষেত্রে নৈতিক মানদণ্ড ও পেশাদারী মনোভাব বজায় রেখে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাসুদ খান এবং বিশ্বব্যাংকের এডুকেশন স্পেশালিস্ট ও দক্ষিণ এশীয় টিম লিডার টি.এম. আসাদুজ্জামান। গেস্ট অব অনার হিসেবে ছিলেন সামিট কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফ আল ইসলাম। এছাড়া এসিসিএ বাংলাদেশের ২০২১ সালের ন্যাশনাল অ্যাডভোকেট, ট্যাক্স গ্রুপ, এডুকেশন গ্রুপ, মেম্বার অ্যাডভাইজরি কমিটির সাবেক ও বর্তমান সদস্য, এমপ্লয়ার, লার্নিং পার্টনারসহ অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্স ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন পেশাদাররা ছিলেন।









