স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এসইউবি)-এর উদ্যোগে লিডারশিপ সিরিজের সিজন-২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন এসইউবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল কবির। মঙ্গলবার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী তার বক্তৃতায় উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পেশা-পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রথমেই পটভূমিগত সব সমস্যা ও বৈরিতাকে সম্ভাবনায় রূপান্তরের চেষ্টা করতে হবে। প্রত্যয় ও দৃঢ়তা থাকলে এটা করা মোটেও অসম্ভব নয়।’
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ভাষা, উপস্থাপনা ও কারিগরি নৈপুণ্যসহ বিষয়গত পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান কোনোটাই শুধু কাঠামোগত পাঠ্যসূচির মধ্য দিয়ে অর্জন করা সম্ভব নয়। এগুলো শিখতে হয় সারা জীবন দৈনন্দিন জীবনযাপনের ভেতর দিয়ে। তিনি শিক্ষার্থীদের সময় ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও সচেতন ও হিসাব-নিকাশসম্পন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন।’
সিভিল সার্ভিস কেন মর্যাদাবান পেশা, সে প্রসঙ্গ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এ পেশায় ব্যক্তিগত দক্ষতা, সন্তুষ্টি ও পরিতৃপ্তি অর্জনের বিষয় যেমন থাকে, তেমনই থাকে সমাজ ও জীবনের জন্য অবদান রাখার বিষয়টিও।’
উপস্থিত শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের সিভিল সার্ভেন্ট উল্লেখ করে তাদের এ ধরনের বড়মাপের হিতকর কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সিভিল সার্ভিসের কাঠামোগত বিন্যাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি সার্ভিসে যোগদান করেও কীভাবে উচ্চতর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে আরও দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়টির প্রতিও আলোকপাত করেন।
স্টেট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল কবির বলেন, ‘এসইউবি তার শিক্ষার্থীদের শুধু শ্রেণিকক্ষেই পাঠদান করছে না, এর বাইরের বাস্তব দক্ষতা দিয়েও তাদের গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, যাতে কর্মক্ষেত্রে তারা সামর্থ্য ও যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে পারে।’
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক মাহেজাবীন ফারুক। এসইউবির বিভিন্ন অনুষদের বিভাগীয় প্রধান, অনুষদ সদস্য ও কর্মকর্তারা এতে উপস্থিত ছিলেন। এসইউবির প্রায় একশ' শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।









