ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’ সরকারি ভাতা বিতরণে শতভাগ সক্ষম বলে মন্তব্য করেছেন সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক শেখ রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সমাজসেবা অধিদফতরের দায়িত্বে থাকা সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার ৭৫ শতাংশই বিতরণ হয় ‘নগদ’-এর মাধ্যমে, যা সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে।’ মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সমাজসেবা অধিদফতর বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাতা বিতরণ করে থাকে। প্রান্তিক এসব মানুষকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনায় সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এমন একটি জনগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করেছি, যারা সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষ। তাদের একটা বড় অংশ মোবাইল ফোনও ঠিকমত ব্যবহার করতে পারে না। এই মানুষের কাছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে টাকা পৌঁছানোটা বিরাট চ্যালেঞ্জ ছিল। আমরা এই কাজ করতে পেরেছি। এই চ্যালেঞ্জ জয় করতে ‘নগদ’ অসাধারণ ভূমিকা রেখেছে।’
তিনি বলেন, ‘পটুয়াখালীর রাঙাবালির কথা বলবো। আমাদের ভাতা বিতরণের একটা অংশ ছিল গ্রীষ্মকালে। সমুদ্র তখন উত্তাল, ভয়ঙ্কর ঢেউ। ‘নগদ’-এর কর্মীরা ওই উত্তাল সমুদ্র পাড়ি দিয়ে রাঙাবালির মানুষকে অ্যাকাউন্ট করিয়েছেন। এটা প্রশংসার দাবি রাখে।’
তিনি বলেন, ‘এবারের ভাতা বিতরণে আমরা ‘নগদ’ সম্পর্কে কোনও অভিযোগ পাইনি। কোথাও কেউ বলেনি বা কোনও সংবাদপত্রেও রিপোর্ট আসেনি। আমাদের রিপোর্টও বলছে, তারা খুব স্বচ্ছভাবে ভাতা বিতরণ করছে।’
তিনি বলেন, ‘ভাতা বিতরণের পর ‘নগদ’ পরিষ্কার একটা রিপোর্ট দেয়। পরে সমাজসেবা অধিদফতর সেটি যাচাই-বাছাই করে। ‘নগদ’-এর ভাতা বিতরণ প্রক্রিয়া খুবই স্বচ্ছ। যেটুকু ত্রুটি আছে, তা মূলত টেকনিক্যাল।’









