দক্ষিণ কোরিয়ার বিখ্যাত ভাষা ও সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র ‘কিং সেজং ইনস্টিটিউট’ চালু করতে যাচ্ছে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)। গত ৯ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আইইউবির উপাচার্য তানভীর হাসানের হাতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সনদ হস্তান্তর করে কিং সেজং ইনস্টিটিউট ফাউন্ডেশন। সোমবার (২৯ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ফেব্রুয়ারিতে দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের ‘উইন্ডো অন কোরিয়া’ অনুদান পায় আইইউবি। সেই অনুদানের অর্থে ক্যাম্পাসে একটি ‘কোরিয়া কর্নার’ স্থাপনের কাজ চলছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়টির কমিউনিটি এনগেজমেন্ট কর্মকৌশলের অংশ। এখানে দক্ষিণ কোরিয়ার ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন উপকরণ রাখা হবে। সেগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এরই ধারাবাহিকতায়, কিং সেজং ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা করছে আইইউবি। ইনস্টিটিউট স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদনের বিষয়টি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বিবেচনাধীন।’
আইইউবির উপাচার্য তানভীর হাসান বলেন, ‘আইইউবিতে কিং সেজং ইনস্টিটিউট স্থাপনের সুযোগ পাওয়া একটি অনন্য সম্মান। এটি আইইউবির ‘গোয়িং গ্লোবাল’ এবং ‘কমিউনিটি এনগেজমেন্ট’ কর্মকৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমাদের অন্যতম লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের সচেতন বিশ্বনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা, যার জন্য মাতৃভাষা ছাড়াও অন্য ভাষার জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। কিং সেজং ইনস্টিটিউট চালু হলে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সবার জন্য সহজে কোরিয়ান ভাষা শেখার সুযোগ তৈরি হবে।’
বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং-কিউন বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত, আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদার ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ, কিং সেজং ইনস্টিউট স্থাপন করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশে কোরিয়ান ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে আইইউবি প্রায় এক দশক ধরে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি আশা করি, এ ইনস্টিটিউট স্থাপনের মাধ্যমে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।’









