রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাসটেইনেবিলিটি সামিট-২০২৫। আকিজ বশির গ্রুপের পরিবেশনায় এবং এসএমসি এন্টার প্রাইজ লিমিটেডের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ সম্মেলনটি ছিল দ্বিতীয় সংস্করণ।
শনিবার (১২ জুলাই) দিনব্যাপী এই সামিটে দেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, নীতি নির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে করণীয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। রবিবার (১৩ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জনিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সামিটের মূল উদ্দেশ্য ছিল—এসডিজি অর্জনে ব্যবসায়িক উদ্যোগ, উদ্ভাবন ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্মিলিত পদক্ষেপের রূপরেখা তৈরি। আয়োজনে ছিল তিনটি কী-নোট সেশন, তিনটি প্যানেল ডিসকাশন, দুটি ইনসাইট সেশন এবং একটি কেস স্টাডি, যেখানে আলোচনায় উঠে আসে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের টেকসই পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া।
সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ সিইও এবং নির্বাহী সম্পাদক সাজিদ মাহবুব বলেন, টেকসইতা এখন আর কোনও বিকল্প নয়—এটাই ভবিষ্যতমুখী ব্যবসার ভিত্তি। সাসটেইনেবিলিটি সামিটের এই দ্বিতীয় আসরের মাধ্যমে আমরা এমন একটি শক্তিশালী সংলাপ তৈরি করতে চাই, যা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের একত্রিত করে কার্যকর উদ্যোগে অনুপ্রাণিত করবে, উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত যাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে। এখনই আমাদের সচেতন ও জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার সময়।
এই বছরের সামিটে কি নোট বক্তব্য দেন লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেডের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর শেহজাদ মুনিম; ইউনেসকো চেয়ার-এডুকেশন ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট, গ্রীন স্কিলস অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যাকশনসের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নুরুন্নবী; অক্সফোর্ড ইমপ্যাক্ট গ্রুপের ফাউন্ডিং প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও-গ্লোবাল এবং প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট, এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির সিনিয়র স্ট্র্যাটেজি অ্যাডভাইজর রজার লেভারমোর।
অন্যান্য আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান এন্ড সিইও আহসান খান চৌধুরী; এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেডের (স্বপ্ন) ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাব্বির হাসান নাসির; মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান; সোশ্যাল মার্কেটিং এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েফ নাসির; দেবাশীষ রায়, ডিরেক্টর - অ্যাডভাইজরি এন্ড পার্টনারশিপস, বাংলাদেশ ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট এক্সচেঞ্জ (আইআইএক্স); সাউথ এশিয়া, কোটসের হেড অব এনভায়রনমেন্টাল কমপ্লায়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি তাসনীম তায়েব; গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর দীপেশ নাগ; ইডটকো বাংলাদেশ কো. লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনীল আইজ্যাক; বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) ডিরেক্টর জেনারেল ড. এ. কে. এনামুল হকসহ আরও বিশেষজ্ঞ পেশাজীবীরা।
শেহজাদ মুনিম তার কী-নোট বক্তব্যে বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য (এসডিজি) অর্জন এখন কেবল একটি বিকল্প নয়—এটি টিকে থাকার শর্ত। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার এবং আন্তঃখাত সহযোগিতা প্রয়োজন। পরিবেশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সুশাসন (ইএসজি) কোনও দাতব্য কাজ নয়—এটি ব্যবসা ও শাসন ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হওয়া উচিত। যদি আমরা সত্যিই ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রাগুলো পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকি। অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য, কিন্তু পরিবেশগত সূচকগুলো বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে। উদাহরণস্বরূপ, পানি সংরক্ষণ কৌশল মিথেন গ্যাস নির্গমন হ্রাসে সহায়তা করতে পারে এবং কার্বন ট্রেডিংয়ের সম্ভাবনাময় বাজারে প্রবেশের পথ খুলে দিতে পারে।
তিনি বলেন, রাজশাহীর মতো শহর দেখিয়েছে, কীভাবে স্থানীয় পরিকল্পনা ও নাগরিক সম্পৃক্ততা মিলিয়ে পরিবেশগত স্বাস্থ্য উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা যায়। তাই এখনই সময় এসডিজি বাস্তবায়নকে রাজনৈতিক অঙ্গীকারপত্রের সঙ্গে সুস্পষ্টভাবে যুক্ত করার, যেন দীর্ঘমেয়াদি নীতি নির্ধারণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।
একটি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা হিসেবে টেকসই চর্চার প্রসার এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা অর্জনে টেকসইতার মুখ্য ভূমিকা নিয়ে সংলাপগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এছাড়াও বিশেষভাবে গুরুত্ব পায় উৎপাদন খাতে ইএসজির বাস্তবায়নে তথ্য ও উপাত্তের ব্যবহার, টেকসই জাতি গঠনে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের প্রয়োজনীয়তা এবং সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মানে রূপান্তর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার মতো বিষয়গুলো।
সামিটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী একটি সেশনে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ এক প্যানেল আলোচনা। সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভের প্রজেক্ট লিড জান্নাতুল ফেরদৌসীর সঞ্চালনায় এই তরুণরা টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের নেতৃত্ব নিয়ে নিজেদের ভাবনা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন।
আয়োজনটির স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার - ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন ও মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ। হসপিটালিটি পার্টনার - র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেল ঢাকা; পিআর পার্টনার - ব্যাকপেজ পিআর এবং অফিসিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার - টার্কিশ এয়ারলাইনস। সামিটিটির আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম ও সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ। সাসটেইনাবিলিটি সামিট ২০২৫ বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের একটি উদ্যোগ।
সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ সিইও এবং নির্বাহী সম্পাদক সাজিদ মাহবুব বলেন, টেকসইতা এখন আর কোনও বিকল্প নয়—এটাই ভবিষ্যতমুখী ব্যবসার ভিত্তি। সাসটেইনেবিলিটি সামিটের এই দ্বিতীয় আসরের মাধ্যমে আমরা এমন একটি শক্তিশালী সংলাপ তৈরি করতে চাই, যা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের একত্রিত করে কার্যকর উদ্যোগে অনুপ্রাণিত করবে, উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত যাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে। এখনই আমাদের সচেতন ও জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার সময়।
এই বছরের সামিটে কী নোট বক্তব্য দেন শেহজাদ মুনিম, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর, লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেড; প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নুরুন্নবী, ইউনেসকো চেয়ার-অ্যাডুকেশন ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট, গ্রীন স্কিলস অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যাকশনস; ফাউন্ডিং প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও-গ্লোবাল, অক্সফোর্ড ইমপ্যাক্ট গ্রুপ এবং রজার লেভারমোর, সিনিয়র স্ট্র্যাটেজি অ্যাডভাইজর, প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট, এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি।
অন্যান্য আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান অ্যান্ড সিইও আহসান খান চৌধুরী; এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেডের (স্বপ্ন) ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাব্বির হাসান নাসির; মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান; সোশ্যাল মার্কেটিং এন্টার প্রাইজ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েফ নাসির; অ্যাডভাইজরি অ্যান্ড পার্টনারশিপস, বাংলাদেশ ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট এক্সচেঞ্জের (আইআইএক্স) ডিরেক্টর দেবাশীষ রায়; সাউথ এশিয়া, কোটসের হেড অব এনভায়রনমেন্টাল কমপ্লায়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি তাসনীম তায়েব; গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর দীপেশ নাগ; ইডটকো বাংলাদেশ কো. লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনীল আইজ্যাক; বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) ডিরেক্টর জেনারেল ড. এ. কে. এনামুল হকসহ আরও বিশেষজ্ঞ পেশাজীবীরা।
শেহজাদ মুনিম তার কী-নোট বক্তব্যে বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য (এসডিজি) অর্জন এখন কেবল একটি বিকল্প নয়—এটি টিকে থাকার শর্ত। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার এবং আন্তঃখাত সহযোগিতা প্রয়োজন। পরিবেশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সুশাসন (ইএসজি) কোনও দাতব্য কাজ নয়—এটি ব্যবসা ও শাসন ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হওয়া উচিত, যদি আমরা সত্যিই ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রাগুলো পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকি। অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য, কিন্তু পরিবেশগত সূচকগুলো বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে। পানি সংরক্ষণ কৌশল মিথেন গ্যাস নির্গমন হ্রাসে সহায়তা করতে পারে এবং কার্বন ট্রেডিংয়ের সম্ভাবনাময় বাজারে প্রবেশের পথ খুলে দিতে পারে।
তিনি বলেন, রাজশাহীর মতো শহর দেখিয়েছে, কীভাবে স্থানীয় পরিকল্পনা ও নাগরিক সম্পৃক্ততা মিলিয়ে পরিবেশগত স্বাস্থ্য উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা যায়। তাই এখনই সময় এসডিজি বাস্তবায়নকে রাজনৈতিক অঙ্গীকারপত্রের সঙ্গে সুস্পষ্টভাবে যুক্ত করার, যেন দীর্ঘমেয়াদি নীতি নির্ধারণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।
একটি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা হিসেবে টেকসই চর্চার প্রসার এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা অর্জনে টেকসইতার মুখ্য ভূমিকা নিয়ে সংলাপগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এছাড়াও বিশেষভাবে গুরুত্ব পায় উৎপাদন খাতে ইএসজির বাস্তবায়নে তথ্য ও উপাত্তের ব্যবহার, টেকসই জাতি গঠনে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের প্রয়োজনীয়তা এবং সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মানে রূপান্তর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার মতো বিষয়গুলো।
সামিটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী একটি সেশনে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ এক প্যানেল আলোচনা। সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভের প্রজেক্ট লিড জান্নাতুল ফেরদৌসীর সঞ্চালনায় তরুণরা টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের নেতৃত্ব নিয়ে নিজেদের ভাবনা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন।
সাসটেইনাবেলিটি সামিট-২০২৫ আকিজ বশির গ্রুপের পরিবেশনা এবং এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের সঞ্চালনায় আয়োজিত হয়েছে।
আয়োজনটির স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ছিল—ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন ও মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ। হসপিটালিটি পার্টনার—র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেল ঢাকা; পিআর পার্টনার—ব্যাকপেজ পিআর এবং অফিসিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার—টার্কিশ এয়ারলাইনস।
সামিটিটির আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম ও সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ। সাসটেইনাবিলিটি সামিট ২০২৫ বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের একটি উদ্যোগ।









