ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেনের পক্ষেই সাক্ষী দিয়েছে নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপি (১১) ও তার মামা মোহাম্মদ সোহাগ। আজ বুধবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার ৫ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজিনা ইসমাইল তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আগামী ৩১ আগস্ট এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করেন। এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন শাহাদাত ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান।
এ প্রসঙ্গে ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কৌঁসুলি আলী আসগর স্বপন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, এই দুই সাক্ষীর সাক্ষ্য বৈরী ঘোষণা করেন। কারণ আদালতে তারা রাষ্ট্রপক্ষের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরবর্তীতে এই দুইজনকে কৌঁসুলি জেরা করেন।
জবানবন্দিতে হ্যাপী আদালতকে জানায়, ‘আমি মামলার ভিকটিম। আমি ক্রিকেটার শাহাদাতের বাসায় কাজ করতাম। সেখানে ৭ মাসের মতো কাজ করেছি। আমার কাজ করতে ভালো লাগতো না। এই জন্য শাহাদাত মাঝে মধ্যে বকা-ঝকা করতেন। দুর্ঘটনায় পা ভেঙে গেলে চিকিৎসা করাই। আসামিরা আমাকে কোনও রকম খুন্তির ছ্যাঁকা দেয়নি। আশাপাশের মানুষদের পরামর্শে এ মামলা করা হয়। মামলার বিষয়ে আমাকে কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করে নাই। আমি ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কিছু বলেছি কিনা মনে নাই।’
এরপরেই রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কৌঁসুলি আলী আসগর স্বপন তাকে বৈরী ঘোষণা করেন এবং জেরা করেন।
হ্যাপীর মামা সোহাগ জবানবন্দিতে বলেন, ‘ভিকটিম আমার ভাগ্নি। আমার মা শাহাদাতের বাসায় ভাগ্নিকে কাজ দেয়। পরে শাহাদাতের বাসায় কাজে যায়। আমার ভাগ্নিকে কাজে ভুল করায় বকা দিলে সে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। মানুষ তাকে নিয়ে মামলা করে। সে দুর্ঘটনায় পায়ে ব্যথা পায়। তার জন্য চিকিৎসাও করায়। আসামি ফোনে আমাকে বলে যে হ্যাপী ব্যথা পেয়েছে।’
/এসআইটি/এফআইআর/এফএস/








