চ্যাম্পিয়নস লিগে ফাইনালের পথে এক পা দিয়ে রাখলো জুভেন্টাস। বার্সার মতো মোনাকোকেও বোতলবন্দি করে রাখলো সেমিফাইনালের প্রথম লেগে। অবশ্য হিগুয়েইন-আলভেসের যুগলবন্দিতেই ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইতালিয়ান জায়ান্টরা।
অথচ বলা হচ্ছিল খেলাটা হচ্ছে বিশ্বসেরা রক্ষণ আর এই মৌসুমে দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক খেলা মোনাকোর। যদিও ফরাসি দল মোনাকো রক্ষণে যে দুর্বল, তা নিয়েও লিগে জাগিয়েছে চমক। আর সেই নড়বড়ে রক্ষণেই দুইবার বল পাঠিয়ে তাদের চূর্ণ করেছেন গঞ্জলো হিগুয়েইন। তাতে সঙ্গী ছিলেন এই মৌসুমে বার্সা ছেড়ে আসা দানি আলভেস। আর এই আলভেসই বলেছিলেন ক্লাবটির হয়ে ইতিহাস হওয়ার মতো কিছু করে দেখাতে। অবশেষে পরের মাঠে তা করেও দেখালেন দুই গোল বানিয়ে দিয়ে। শুধু তাই নয় চ্যাম্পিয়নস লিগে ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম দুটি গোল বানিয়ে দিলেন তিনি।
সেই ধারাতেই প্রথমটি আসে ২৯ মিনিটে। তখন দর্শনীয়ভাবে কাট ব্যাক করেছিলেন দানি আলভেস। ততক্ষণে ক্ষিপ্রগতিতে ছুটে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জালে বল জড়ান গঞ্জালো হিগুয়েইন।
তবে কোনও অংশে কম ছিল না মোনাকো। জুভকে হারানোর স্বপ্নে বিভোর ছিলেন তারকা ফালকাও। দুই অর্ধেই ত্রাস ছড়িয়েছিলেন জুভেন্টাসের রক্ষণে। এমনকি প্রথমার্ধে গোল না পেলেও বুফনের ভালোই পরীক্ষা নিয়েছেন । ২১ মিনিটে সুযোগ পেয়েছিলেন জালে বল জড়ানোর। যদিও কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন বুফন। কয়েক মিনিট আগে চেষ্টা করেছিলেন এমবাপ্পে।
দ্বিতীয়ার্ধে আবারও আক্রমণে গিয়েছিলেন ফালকাও। কিন্তু তাতে বাধা হয়েছিলেন সেই বুফন। তবে পাল্টা আঘাত হানতে ভুল করেনি জুভেন্টাস। এই অর্ধে আবারও আঘাত হানেন হিগুয়েইন। ৫৯ মিনিটে সেই দানি আলভেসের বানিয়ে দেওয়া বলেই ম্যাচের জোড়া গোল করেন আর্জেন্টাইন তারকা। আলতো ক্রসে বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন আলভেস। দৌড়ে এসে গোল রক্ষককে পরাস্ত করে জালে বল জড়িয়ে দেন হিগুয়েইন।
তবে শেষ দিকে বার কয়েক জুভেন্টাসের রক্ষণে হানা দিয়েছিল মোনাকো। একটি পোস্টের ওপর দিয়ে গেলেও আরেকটি দুর্দান্তভাবে বাঁচিয়ে দেন বুফন। শেষ পর্যন্ত ২-০ স্কোর নিয়েই ফাইনালের পথ সুগম করে রাখে ইতালিয়ান জায়ান্টরা।
/এফআইআর/








