২০০৯ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত জাতীয় দলের কোচ হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন সাইফুল বারী টিটু। কখনও সহকারী কোচ কিংবা মূল দায়িত্বে ছিলেন। আসন্ন সাফকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই বাংলাদেশ দলকে অনেক কাছ থেকেই দেখেছেন। জেমি ডের দল দেখে তার মত, ‘এই বাংলাদেশের ওপর ভরসা রাখা যায়।’
এমন প্রত্যাশার মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়ার পেছনে প্রভাবক এবারের এশিয়াডে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স। টিটুও মনে করছেন তেমনটা, ‘এশিয়াডে দল ভালো করেছে, লড়াকু মনোভাব দেখা গেছে। যদি এমন ধারা ধরে রাখা যায় তাহলে অবশ্যই সাফে ভালো ফল করা সম্ভব। আর দেশের মাঠের সুবিধা তো থাকবেই।’
এবারের সাফে বাংলাদেশের গ্রুপে আছে ভুটান, নেপাল ও পাকিস্তান। আর এই গ্রুপ নিয়েই খুব চিন্তিত টিটু, ‘বাংলাদেশের জন্য গ্রুপটা কঠিন। এই গ্রুপে তিনটি ম্যাচ খেলেতে হবে। অন্য গ্রুপে থাকলে দুটি ম্যাচ খেলতো হতো। এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে সেখানে একটি ম্যাচ জিতলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে পড়তো। আর এখন একাধিক ম্যাচ জেতা ছাড়া বিকল্প নেই। তাই আমাদের প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত সেমিফাইনাল। তারপর ফাইনাল।’
গ্রুপ সঙ্গী হিসেবে থাকা নেপাল ও পাকিস্তানকে ভালো দল মনে হচ্ছে টিটুর। তাই আসন্ন টুর্নামেন্ট বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে বলেই ধারনা বাংলাদেশের সাবেক কোচের, ‘নেপাল ভালো দল। এএফসি সলিডারিটি কাপে তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। পাকিস্তান অনেক দিন খেলার বাইরে। তাদের খেলার ধরন একটু অজানা থাকবে। তবে এশিয়াডে দুটো দলই ভালো খেলেছে। সুতরাং বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে এই টুর্নামেন্ট।’
এশিয়াডে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ দলের মূল অস্ত্র ছিল প্রতি আক্রমণ। সাফে আক্রমণাত্মক সেই ধারা ধরে রাখতে হবে। তবে সাইফুল বারী টিটুকে ভাবাচ্ছে স্কোরিং, ‘শ্রীলঙ্কার সঙ্গে প্রীতি ম্যাচে গোল পাইনি। এখন সাফে যদি ভুটান প্রতি আক্রমণ নির্ভর খেলে। তাহলে তাদের ব্লক কীভাবে ভাঙবো- সেটা নিয়ে কাজ করতে হবে। বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের ব্লক ভাঙতে না পেরে অনেক বড় দল ধরা খেয়েছে।। এখন বাংলাদেশ কী করে সেটা দেখতে হবে। এক্ষেত্রে শুধু ডিফেন্সের ব্লক ভাঙলেই হবে না পাশাপাশি গোলও করতে হবে।’








