বল টেম্পারিংয়ের দায়ে নিষেধাজ্ঞার শাস্তি শেষ হয়েছে স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারের। তাদের ১২ মাসের নিষেধাজ্ঞা হলেও ক্যামেরন ব্যানক্রফট ৯ মাসের নিষেধাজ্ঞা আগেই শেষ করেছেন। শুক্রবার ওই দুই জনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে অবশেষে। তবে নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে টেম্পারিংয়ের কারণে অতীতে দলের সিনিয়র কয়েকজন ক্রিকেটারের অসন্তুষ্টি!
সম্প্রতি সিডনি মর্নিং হেরাল্ড ফাঁস করেছে সেই সময়কার অস্ট্রেলিয়া দলের টালমাটাল পরিস্থিতির খবর। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টে বল টেম্পারিং জানা জানি হলে সিনিয়র কয়েকজন বেঁকে বসেন চতুর্থ টেস্ট বয়কট করবেন বলে। এরা ছিলেন- পেসার মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড, প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়ান। ওয়ার্নারকে চতুর্থ টেস্টে খেলালে তারা সবাই সেই টেস্টে বয়কটের হুমকি দিয়েছিলেন। এমনকি দ্রুত ওয়ার্নারকে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে ছিলেন তারা।
পরেই জানা গিয়েছিলো স্যান্ডপেপার গেট নামের এই কাণ্ডে ক্যামেরন ব্যানক্রফট টেম্পারিং করলেও তার ইন্ধন দাতা ছিলেন ওয়ার্নার! এই রিপোর্ট প্রকাশের পর অজি দলে এই ত্রয়ীদের অংশগ্রহণ ভারসাম্য নষ্ট করবে-এমন গুঞ্জন শুরু হলে তাদের পক্ষেই কথা বলেছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া প্রধান কেভিন রবার্টস। তিনি একতা রক্ষার বিষয়টি সামনে এনেই বললেন, ‘আমরা সব সময় প্রভাব পড়ার চেয়ে একতা রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’ তিনি জানালেন তাদের নজর স্মিথ, ওয়ার্নার ও ব্যানক্রফটের ফেরার পথটা সহজ করার দিকে, ‘আমার মনে হয় এই মুহূর্তে ডেভ, স্মিথ ও ক্যামেরনের ফেরার পথে সব রকম সহায়তার দিকেই আমাদের নজর। একই সঙ্গে বাকি খেলোয়াড় ও স্টাফদের সঙ্গে আত্তীকরণের দিকেও, যাতে করে দলীয় একতা বজায় থাকে।’
অবশ্য পুনরায় আগমনের পর দলীয়ভাবে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন স্মিথ-ওয়ার্নাররা। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান ওয়ানডে সিরিজে তারা না থাকলেও দুবাইয়ে সিরিজ শুরু হওয়ার পূর্বে দলের সঙ্গে দেখা করেছেন।








