ইউরোপীয় দল বসনিয়া-হার্জেগোভিনাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে অন্যতম ফুটবল পরাশক্তি দক্ষিণ আমেরিকান আর্জেন্টিনা। ফুটবল পাগল দর্শকে টইটম্বুর ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামে খেলা শুরুর তৃতীয় মিনিটেই বসনিয়া-হার্জেগোভিনার জালে বল জড়িয়ে দেয় আর্জেন্টাইনরা। ফল, দর্শকরা যার যার আসনে ঠিকমত বসার আগেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে। এরপর দ্বিতীয় গোলের দেখা পেতে ম্যারাডোনা দেশীয়দের অপেক্ষা করতে হয় দ্বিতীয়ার্ধের ১৭ মিনিট পর্যন্ত। ৬৫ মিনিটে মেসির অসাধারণ আর দৃষ্টিনন্দন গোলে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় সাদা-নীল জার্সিধারীরা। এরপর খেলার ৮৪ মিনিটের মাথায় বসনিয়ার ৯ নম্বর জার্সিধারী হেদাত ইবিসেভিচ আর্জেন্টাইন গোলকিপার রোমেরোকে ফাঁকি দিলে বল স্থান করে নেয় এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট মেসিদের গোলপোস্টে। এর ফলে ব্যবধান ২-০ থেকে কমে দাঁড়ায় ২-১ গোলে। তবে এই গোলে হেদাতের কৃতিত্বের চেয়ে আজেন্টিনার কিপারের দায়ই ছিল বেশি। খেলার এবং আর্জেন্টিনার প্রথম গোলটি আসে ফ্রিকিক থেকে। গুণগ্রাহীদের ভাষায় 'ভিনগ্রহের' মানুষ আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির বাঁকানো ফ্রিকিকটি গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে বসনীয় গোলপোস্টে আশ্রয় নেয়। খেলা শুরুর ৩ মিনেটের মাথায় এ ঘটনা। তবে বলটি গোলে প্রবেশের আগে বসনীয় একজন খেলোয়াড়ের (৫নং জার্সিধারী কোলাসিনাক) শরীর ছুঁয়ে যেতে দেখা গেছে। আর তাই এটি মেসির গোল হয়েও শেষ পর্যন্ত মেসির গোল থাকছে না, এটা বলতেই হয়। তবে ৬৫ মিনিটে করা গোলটি একেবারে আদি ও অকৃত্রিম মেসীয় ধাঁচের। পুরো মাঠ মুগ্ধ হয়ে দেখলো চোখ জুড়ানো গোলটি। বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোর ৪টায় শুরু হওয়া ব্রাজিল বিশ্বকাপের এফ গ্রুপের প্রথম ম্যাচটিতে আলেসান্দ্রো সাবেলার দল প্রতিপক্ষ অপেক্ষাকৃত দুর্বল বসনিয়া-হার্জেগোবিনার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে নেয় শুরু থেকেই। তবে খেলা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বসনিয়াও জানান দিতে থাকে তারা একেবারে ফেলনা দল নেয়। ২৩ মিনিটের মাথায় আর্জেন্টিনার একজন খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখতে হয় ফাউল করার দায়ে। তবে হলুদ কার্ড পরে বসনীয়দেরও দেখতে হয়।








