নিজের সঙ্গে রীতিমতো ‘যুদ্ধ’ করছেন। আবার যাতে চেনা তপু বর্মণকে দেখতে পান দর্শক । এরই মধ্যে ফেডারেশন কাপ দিয়ে মাঠে ফিরেছেন। তবে বড় চ্যালেঞ্জটা সামনে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে। জাতীয় দলে সর্বশেষ খেলেছেন গত বছরের ৯ মার্চ কম্বোডিয়ার বিপক্ষে।এরপর অনুশীলনে হাঁটুতে চোট পান। লিগামেন্টে অস্ত্রোপাচার হয়েছিল। প্রায় ১০ মাস ফুটবল থেকে দূরেই ছিলেন।
এরইমধ্যে ফেডারেশন কাপ দিয়ে মাঠে ফিরেছেন তপু। সামনে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে জাতীয় দলে নিজের জায়গাটা ফিরে পেতে চান। চোটের আগে সেন্টার ব্যাক হিসেবে খেলেও মাঝে-মধ্যে গোল পেয়েছেন। ঢাকায় গত সাফ ফুটবলে তো দুটি গোল করেছিলেন। তপুর ওপর প্রত্যাশাটা তাই একটু বেশিই।
তবে জাতীয় দলে ফিরলেও তপুর একাদশে জায়গা করে নেওয়াটা সহজ হবে না। প্রীতিম্যাচে গত বছর মার্চে কম্বোডিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ খেলেছেন। এরপর দীর্ঘ একটা সময় খেয়ে নিয়েছে চোট। তার জায়গায় বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টুটুল হোসেন বাদশা কিংবা রিয়াদুল হাসান রাফি খারাপ করেননি। জেমি ডের সুদৃষ্টিতে আছেন দুজনই । এখন রক্ষণে কাকে রাখবেন ডে? লড়াইটা বেশ জমে উঠেছে।
তপু আশাবাদী। লড়াই করে আবারও একাদশে ফিরতে পারবেন,‘ক্লাবে ও জাতীয় দলে ফেরার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছি।এখন অনেক খুশি । আগের মতোই ফিট আমি।চেষ্টা করবো নিজেকে বেশি করে তুলে ধরতে। অন্যরা ভালো করছে। তবে আমি পারফরম্যান্স করেই একাদশে জায়গা ফিরতে চাই।’
চোট থেকে ফিরে বসুন্ধরা কিংসের হয়ে ফেডারেশন কাপে তিনটি ম্যাচ খেলেছেন। সেমিফাইনালে পুলিশ এফসির বিপক্ষে একটি গোলও করেছেন । সুযোগ পেলে জাতীয় দলের হয়েও আবারও গোল করার ইচ্ছা তার,‘সুযোগ পেলে দলের হয়ে গোল করতে চাই। তবে তার আগে একাদশে জায়গা করে নিতে হবে।’
তপু ফেরায় কোচ জেমি ডেও খুশি। তবে খেলোয়াড়দের সর্বশেষ অবস্থান দেখে একাদশ ঠিক করবেন তিনি,‘যারা অনুশীলনে ভালো করবে তাদেরই একাদশে নেওয়া হবে। তপু ফেরায় ভালো হয়েছে। দলে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারের প্রয়োজন আছে।এখন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেখে একাদশ ঠিক হবে।’








