অধিনায়ক হিসেবে কালই শেষবারের মতো টস করবেন মাশরাফি। শুক্রবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে জয়েল হাফসেঞ্চুরির সামনে দাঁড়িয়ে অধিনায়কত্বকে ‘না’ করে দিয়েছেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’। বিদায় বেলায় ৩৫ মিনিট সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে অনেক কথাই বললেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনের শুরুটাই করেন অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে। মাশরাফি তার লিখিত বক্তব্যে জানালেন…
ধন্যবাদ সবাইকে। কালকে (শুক্রবার) আমার শেষ ম্যাচ অধিনায়ক হিসেবে। আমার প্রতি এত দীর্ঘ সময় আস্থা রাখার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ জানাই আমার নেতৃত্বে যত খেলোয়াড় খেলেছে। বাংলাদেশ দলের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আমি নিশ্চিত প্রক্রিয়াটা এত সহজ ছিল না, শেষ পাঁচ-ছয় বছরের যে জার্নি ছিল। আমি ধন্যবাদ জানাই টিম ম্যানেজমেন্ট যারা ছিল। যাদের অধীনে আমি খেলেছি, আমি অধিনায়কত্ব করেছি, তারা সবাই আমাকে খুব কাছ থেকে অনেক সহযোগিতা করেছে এবং আমার অধিনায়কত্বে যতটুকু মনে হয় হাথুরুসিংহে দিয়ে শুরু হয়েছিল। তার আগে হয়তোবা দুই-তিন দফা পেয়েছি, কিন্তু ইনজুরির কারণে করতে পারিনি। হাথুরুসিংহে, খালেদ মাহমুদ, স্টিভ রোডসের অধীন চলে ডমিঙ্গো দিয়ে শেষ হচ্ছে। নির্বাচক এবং বোর্ডের কর্মকর্তা যারা আছেন এবং প্রত্যেকটা বোর্ড স্টাফ থেকে শুরু করে যারাই ক্রিকেট বোর্ডে আছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ সহযোগিতার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই আপনারা যারা আছেন মিডিয়ার সবাইকে, আপনারা অত্যন্ত সহযোগিতা করেছেন। সবশেষে অবশ্যই সমর্থক, যারা বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রাণ, আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া এটা অবশ্যই সম্ভব হতো না, সবাইকে ধন্যবাদ। আজ আমি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরে যাচ্ছি, অবসরে যাচ্ছি। আর আগামীকাল জিম্বাবুয়ের সঙ্গে তৃতীয় ওয়ানডে অবশ্যই আমার অধিনায়ক হিসেবে শেষ ম্যাচ। খেলোয়াড় হিসেবে যদি সুযোগ আসে, অবশ্যই চেষ্টা করব আমার সেরাটা দেওয়ার। আমার শুভকামনা থাকবে পরবর্তী অধিনায়কের জন্য। আমার বিশ্বাস নতুন অধিনায়ক বাংলাদেশ দলকে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যাবে।
প্রশ্নোত্তর পর্ব:
প্রশ্ন: এ সিরিজের আগেই বোর্ড প্রধান ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সিদ্ধান্তটা কি বোর্ড আপনাকে নিয়ে দিল না আপনি নিলেন?
মাশরাফি: না, সিদ্ধান্তটা আমিই নিয়েছি।
প্রশ্ন: নতুন অধিনায়ক হিসেবে আপনি কি কারো নাম বলবেন?
মাশরাফি: কারো নাম বলা তো কঠিন। অবশ্যই এটা বোর্ডের সিদ্ধান্ত। তবে সিনিয়র যারা আছে, সাকিব তো এখন বাইরে, সিনিয়র আরও যে তিনজন আছে। আর প্রক্রিয়াটা কী আমি জানি না, মানে সাকিব আসার পরে কী হবে, এখন থেকে প্রক্রিয়াটা কাউকে দিয়ে শুরু হবে কি না। তবে আমি শিউর যে তিনজন বর্তমানে আছে তাদের অধিনায়কত্ব করার সামর্থ্য আছে। আমি আশা করছি যে সেরা তাকেই মনোনীত করা হবে।
প্রশ্ন: সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কতটা কঠিন ছিল?
মাশরাফি: না, দেখেন অধিনায়কত্ব জিনিসটাকে কখনোই আমি এতটা গুরুত্বের জায়গায় আনিনি। সব সময় গর্ববোধ করি যে আমি জাতীয় দলের হয়ে খেলি বা খেলেছি। অধিনায়কত্ব আমাকে বিসিবি দিয়েছে, আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কখনও হয়েছে, কখনও হয়নি। কিন্তু সিদ্ধান্ত তো নিতেই হবে। সামনের বিশ্বকাপ লক্ষ্য করে আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে। আমার মনে হয়েছে নতুন কেউ আসার এটাই সঠিক সময়। যে দলকে এখন থেকেই গুছিয়ে নিতে পারবে। যাকেই অধিনায়ক করা হোক, সে যেন ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেয়।
প্রশ্ন: প্রপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব মেলালে কোনো আক্ষেপ হয়?
মাশরাফি: আমার ক্যারিয়ারটা অনেক আগেই শেষ হয়ে যেতে পারতো। যতোটুকু পেয়েছি আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া। প্রাপ্তির বিষয়ে একজন খেলোয়াড়ের পক্ষে বলা খুব কঠিন। অপ্রাপ্তিটা খুব সহজেই বলা যায়। অনেক অপ্রাপ্তি আছে, কিন্তু সেটাও দিনশেষে প্রাপ্তি। কারণ এক ধারায় জীবন কখনও চলে না। ভালো-খারাপের ভেতর দিয়ে যেতে হয়। আমার ক্ষেত্রেও ওটাই হয়েছে। প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি তো আসলে আপনারা-সমর্থকেরা ভালো জানেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটা খোঁজার চেষ্টা করিনি কখনও।
প্রশ্ন: ১ তারিখ বলছিলেন বিষয়টি নিয়ে ভাববেন, দ্রুত কীভাবে চিন্তা করলেন..
মাশরাফি: সত্যি বলতে, এত ভাবিনি। সবাই চাচ্ছে ২০২৩-এর জন্য নতুন অধিনায়ক হোক। আমারও সেটা ভাবা উচিত। সত্যি কথা বলতে আমি আসলে এতটাও ভাবিনি। আজ সকালে মনে হয়েছে, অনেক হয়েছে(দ্যাটস এনাফ)! সত্যি বললে আজ সকালেই মনে হয়েছে। কালকে পর্যন্ত সিদ্ধান্তহীনতায় ছিলাম। কিন্তু আজ সকালে মনে হয়েছে, ‘ইটস এনাফ’ (অনেক হয়েছে)। তবে যেটা বললাম, যে কথাগুলো হয়েছে বা হচ্ছে সেগুলো আমার জায়গায় আপনি হলেও আপনাকে ভাবাবে।
প্রশ্ন: সাকিব না ফেরা পর্যন্ত আপনাকে রেখে দেওয়ার একটা কথা চলছিল বলে শুনেছি….
মাশরাফি: না, আমার সাথে এরকম আলোচনা হয়নি আসলে। আমার কাছে মনে হয় এত আলোচনায় যাওয়ার আমার দরকারও ছিল না। আমার কাছে মনে হয়েছে ‘ইটস গুড এনাফ’।
প্রশ্ন: শুরু করার সময় একটা লক্ষ্য নিশ্চয়ই ছিল, এখন কী মনে হচ্ছে?
মাশরাফি: এটা পৃথিবীর কেউ বলতে পারবে না যে আপনি প্রত্যাশা পূরণ করে যাচ্ছেন। তবে যেটা বললাম, প্রাপ্তির কথা আমি বলতে পারব না। অপ্রাপ্তির কথা চোখ বন্ধ করেই মানুষ বলে দিতে পারে যে আসলে ব্যর্থতাগুলো কী ছিল। আমি আসলে জানি না প্রাপ্তি কি ছিল, অপ্রাপ্তি কী ছিল। তবে এতটুকু নিশ্চিত, আমাকে যখন জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব করতে দেওয়া হয় আমি জানতাম যে এটার দায়িত্ব কতটা, মানে এখানে শুধু চাপই না, শুধু চাপের কথাটাই বলি, এখানে কত আবেগ জড়িয়ে আছে, কত মানুষ তাকিয়ে থাকে যখন বাংলাদেশ দল খেলে । ওই দায়িত্ব আমার কাছে সব সময় ছিল এবং এটার গুরুত্ব আমার কাছে সবকিছুর চেয়ে বেশি। যে আবেগ নিয়ে মানুষ বসত খেলা দেখতে। সে জায়গা থেকে আমি এতটুকু বলতে পারি, আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি।
প্রশ্ন: আজকের ঘোষণার মধ্যে কোনও অভিমান আছে?
মাশরাফি: আপনারা সব সময় যদি এগুলো বের করতে চান তাহলে খারাপ। আমি অনেক আগেই বলেছি যে অভিমান, রাগ বা ক্ষোভ দেখানো...(হাসি).. আমি আসলে কার ওপর এগুলো দেখাবো? আমাকে একটা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আপনাদের সামনে এসে ঘোষণা দিলাম যে আমি শেষ করতে চাচ্ছি। কিন্তু এর ভেতরে যা হয়েছে মানা না-মানা, ভালো-মন্দ সবকিছু নিয়েই তো এগিয়ে আসতে হয়েছে এই পর্যন্ত।
প্রশ্ন: এই সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিবারের সঙ্গে আপনি কতটা আলোচনা করেছেন?
মাশরাফি: পরিবার টেকনিক্যাল সিদ্ধান্তের ব্যাপার ততটা বোঝে না। তাদের ভালো লাগার জায়গা সব সময় থাকে যে ছেলে ভালো করছে। পরিবারের কেউ ভালো করছে। খারাপও লাগে এই ভেবে যে তার খারাপ যাচ্ছে, মানুষ সমালোচনা করছে। তখন তাদের খারাপ লাগে। আমি শুধু বাসায় ফোন করে জানিয়ে দিয়েছি যে ‘ডান’। তারা শক্তভাবেই আমার পাশে আছে। যেমন টি-টোয়েন্টি থেকে যাওয়ার সময়ও তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছিল। তারা ঠিক সেইভাবে আমার পাশে আছে।
প্রশ্ন: নতুন চ্যালেঞ্জকে কিভাবে দেখছেন?
মাশরাফি: প্রথমত যে আপনি ঘুম থেকে উঠলেন, খুব সুন্দরভাবে আপনার সামনে নাস্তা রাখা হলো। আপনি আবার বিছানায় শুয়ে থাকলেন, টিভি দেখলেন। দুপুরে খাবারটা রাখা হলো। বিকেলে একটু ঘুরে আসলেন। সন্ধ্যায় আবার নাস্তা দেওয়া হলো, রাতে ডিনার। তাহলে আপনার জীবনের মূল্যটা কি থাকলো? কিছুই না। তো একজন মানুষ হিসেবে প্রতিটি কাজই চ্যালেঞ্জিং। আমি উপভোগ করি সব যখন বিপক্ষে থাকে তখন। এটাই আমার জীবনের উপভোগ্য অধ্যায়। এবং আমি বিশ্বাস করি সবকিছু যখন পক্ষে থাকে তখন আমার কাছে মনে হয় জীবনের মূল্য কিছুই না। সবকিছু যখন আপনার বিরুদ্ধে থাকবে তখন আপনি কতটা সামনে যেতে পারেন, আপনি নিজেকে স্বার্থকতায়, চ্যালেঞ্জের জায়গায় আনতে পারবেন যে ‘ওকে, আমি এটা করে ফেললাম’।
প্রশ্ন: নেতৃত্বের এই সময়কালে আপনাকে সবচেয়ে বেশি তৃপ্তি দেয় কী?
মাশরাফি: অনেক ভালো স্মৃতি আছে। অনেক…। অধিনায়ক হিসেবে, এই দলের সদস্য হিসেবে। তবে নেতৃত্ব যখন পাই তখন থেকে এ পর্যন্ত তো একটা অধ্যায়। সেই হিসেবে ভালো স্মৃতিও আছে। খারাপ স্মৃতিও আছে। যেগুলো আমরা খেলোয়াড়েরা বহন করেছি একসঙ্গে। এমন অনেক মুহূর্ত আছে যে সময়ে দাঁড়িয়ে মনে হচ্ছিল অনেক কঠিন বা অবিশ্বাস্য, হবে কি না। এমনও কিছু আছে যা কেউ চিন্তা করছে না। ভাবছে বাংলাদেশ দল এটা পারবে। কিন্তু আমরা সেটা পারিনি। দুটিই আছে।
প্রশ্ন: যতদিন না সাকিব আল হাসান নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আসছেন ততদিন কি তরুণ কাউকে দায়িত্বটা দিয়ে দেখা যেতে পারে বলে মনে করেন?
মাশরাফি: এটা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। আমার ব্যক্তিগত মত অনেকটা কঠোর হতে পারে। আমি আগেও একদিন বলেছিলাম, একজন তরুণ খেলোয়াড় যখন বাংলাদেশ দলের জার্সি পরে নামে তখন সেটাই তার জন্য অনেক বড় চাপ। আগের মতো ক্রিকেট এখন আর নেই। মানুষ তাকিয়ে থাকে, মিডিয়া তাকিয়ে থাকে। ক্যামেরা থাকে। ক্রিকেট বোর্ড বা কোচিং স্টাফদের যদি মনে হয় যে এ (তরুণ) অতটা চাপ সামলানোর মতো তাহলে কেন নয়? কিন্তু আমার মনে হয় অনেক ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। কারণ ১২-১৪ বছর যারা পার করেছে তারা কিন্তু আপনাদের সামলানো কিছুটা হলেও জানে। বাইরের চাপগুলো নিতে পারে। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। বাকিটা তো ক্রিকেট বোর্ড দেখবে।
প্রশ্ন: নেতৃত্ব পাওয়ার পর আপনার জন্য সবচেয়ে কঠিন সময় কোনটা ছিল?
মাশরাফি: সবচেয়ে কষ্টের ছিল তখন যখন ভারতের সঙ্গে ১ রানে হারলাম, বিশ্বকাপে। সেই রাতটা আমি না শুধু আমাদের পুরো দলের জন্য ভয়াবহ ছিল। আমরা সবাই হোটেলে এসে করিডোরে বসে ছিলাম। ক্যাপ্টেন হিসেবে খেলোয়াড়দের দেখে খুবই খারাপ লাগছিল। তারপরও অনেক চ্যালেঞ্জিং সময় গেছে। বাংলাদেশের যেকোনো ম্যাচে হারাই অধিনায়কের জন্য কঠিন। ব্যক্তিগতভাবে বলব প্রত্যেকটা হারই আমার জন্য কঠিন ছিল।
প্রশ্ন: টেকনিক্যাল বিষয়ে বোর্ডকে সন্তুষ্ট রাখার একটা বিষয় থাকে, বোর্ডের সঙ্গে অপনার সময়টা কীভাবে কেটেছে বা চ্যালেঞ্জটা কীভাবে মোকাবেলা করেছেন?
মাশরাফি: যেভাবেই হোক আমাকে তারা সহযোগিতা করেছে। আর যে কঠিন প্রক্রিয়ার কথা আপনি বললেন অস্বীকার করার সুযোগ নেই। আপনি যখন ভালো করতে থাকবেন তখন একটা সময় পর্যন্ত আস্থা দেখাবে সবাই। কিন্তু আমি একজন মানুষ হিসেবে, অন্য খেলোয়াড়েরাও তাই ভাববে, এটা আসলে অনেক বড় একটা দায়িত্ব। আমরা যখন মাঠে নামি, বাংলাদেশ নামটার জন্য নামি। যখন আমার ভুল ধরা হয়, তখন আমি স্বাভাবিকভাবে সেটা করতে পারি না। তখন মনে হয় ভুলই করেছিলাম। এটা যদি আমার পারিবারিক সিদ্ধান্ত হতো, যে আমি পরিবারের জন্য মাঠে নামছি। তাহলে হয়তো আমি তর্ক করতে পারব। কিন্তু নামটা যখন বাংলাদেশের নামে, তখন তর্কের জায়গাটা থাকে না।
প্রশ্ন: এ সিদ্ধান্তটা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন?
মাশরাফি: আসলে প্রধানমন্ত্রী খেলাটাকে অনেক পছন্দ করেন। আপনারাও দেখেছেন সব সময়। প্রধানমন্ত্রী খেলার খোঁজখবর রাখেন। কিন্তু দেশের এতকিছুর ভেতরে থেকে এসব ছোটখাটো বিষয়ে বা ওনার কাছে যাওয়া বা ডিস্টার্ব করা আমার কাছে মনে হয়নি প্রয়োজন আছে। তারপরও আশা করি কোনও না কোনভাবে তিনি এটা জানেন।
প্রশ্ন: কোচের সঙ্গে কথা হয়েছে?
মাশরাফি: কোচের সঙ্গে আমার এমন কোনও কথা হয়নি। তারও নিজস্ব একটা পরিকল্পনা আছে। আমি মনে করি তার পরিকল্পনাটা উন্মুক্ত হওয়া ভালো। এক সপ্তাহ হলো আমি তার সাথে আছি। এ সময় তার সঙ্গে এটা নিয়ে আলোচনা করিনি। আমি বিসিবির সঙ্গে আলোচনা করতে পারি। পাপন ভাইয়ের (বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান) সাথে আলোচনা করেই এসেছি।








