দুর্নীতির মামলার রায়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না মিশেল প্লাতিনি। অবৈধভাবে অর্থ নেওয়ার অভিযোগে ফুটবল থেকে ৪ বছরের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতের (সিএএস) দেওয়া সংশোধিত রায়েও আস্থা ছিল না সাবেক উয়েফা প্রধানের। তাই নতুন করে আপিল করেছিলেন ইউরোপের মানবাধিকার আদালতে (ইসিএইচআর)। সেখানেও মেলেনি কোনও সুখবর। চার বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তিকে ‘সঠিক’ বলেই মনে হয়েছে আদালতের কাছে।
কিংবদন্তি ফরাসি ফুটবলার ও সাবেক উয়েফা প্রধান প্লাতিনির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল গুরুতর। সেই ২০১১ সালে তখনকার ফিফা প্রধান সেপ ব্ল্যাটারের কাছ থেকে অবৈধভাবে ১.৮ মিলিয়ন ইউরো নিয়েছিলেন। এই দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৫ সালে প্লাতিনিকে দেওয়া হয় ৮ বছরের নিষেধাজ্ঞা। আন্তর্জাতিক আদালতে আপিলের কারণে পরে তা কমে দাঁড়ায় ৪ বছরে। কিন্তু প্লাতিনির মনে হয়েছে, এখানে তার মানবাধিকার রক্ষা হয়নি। তাই আবেদন করে বসেন ইউরোপের মানবাধিকার আদালতে। কিন্তু ৭ বিচারপতির চেম্বারটিও রায় দিয়েছেন তার বিরুদ্ধেই।
আদালতের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আদালত নির্দিষ্টভাবে জানতে পেরেছে যে, ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থায় শীর্ষস্থানীয় পদধারী হিসেবে এই অসদাচরণ এবং ফিফার মর্যাদা পুনরুদ্ধারে প্লাতিনির এই নিষেধাজ্ঞা মাত্রাতিরিক্ত ও বিধিবহির্ভূত বলে মনে হয়নি।’
আপিলের আগে প্লাতিনি বলেছিলেন, মানবাধিকার আদালতের রায়ের আগে জরিমানার অর্থ তিনি পরিশোধ করবেন না। কিন্তু রায় বহাল থাকায় ৩৮ হাজার ৯৩৫ ইউরো জরিমানার অর্থও দিতে বাধ্য তিনি।








