প্রয়াত তারকা ফুটবলার মোনেম মুন্নার দুটি জার্সি বিক্রি হয়েছে ৫ লাখ ১০ হাজার টাকায়। যেই অর্থ যাবে করোনার কারণে অসহায় হয়ে পড়াদের সহযোগিতায়। শনিবার রাতে হওয়া এই নিলাম অনুষ্ঠানে মুন্নার সতীর্থরাও ছিলেন। লাইভে মোনেম মুন্নার স্মরণে হয় আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে অংশ নেন সাবেক তারকা শেখ মোহাম্মদ আসলাম, সত্যজিত দাশ রুপু ও কায়সার হামিদ।
শেখ মোহাম্মদ আসলামের সঙ্গে মুন্নার সম্পর্ক ছিল নিবিড়। নিলামে সেই পুরনো স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন আসলাম, ‘ওর কথা সব সময়ই মনে পড়ে। মাঠে ওর সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক ছিল। মুন্নার সঙ্গে আমার সম্পর্কটা ছিল বড়-ছোট ভাইয়ের মতো। এছাড়া ম্যাচ জিততে হবে, এমন একটা ইতিবাচক মনোভাব তার মধ্যে সব সময়ই ছিল। ওর পাসে কত গোল দিয়েছি, এমন উদাহরণও অনেক আছে।’
তারকা এই ফুটবলার দেশের বাইরেও মুন্নার সতীর্থ ছিলেন। অল্প বয়সে চলে যাওয়ায় তাকে নিয়ে আক্ষেপ যেমন করলেন, তেমনি প্রশংসাতেও ভাসিয়েছেন, ‘দেশে আবাহনীতে এক সঙ্গে খেলেছি। কলকাতায় ইস্ট বেঙ্গলে খেলেছি, জাতীয় দলেও খেলেছি। কিন্তু সে ছিল ক্ষণজন্মা ফুটবলার। তবে মুন্না আমাদের অনেক কিছুই দিয়ে গেছে।’
আরেক সতীর্থ তারকা সত্যজিত দাশ রুপুও স্মরণ করলেন মুন্নাকে, ‘মুন্না ছিল আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, একসঙ্গে খেলেছি। তাকে পরাস্ত করে গোল করা কঠিন ছিল। এ জন্য তাকে কিং ব্যাক বলা হয়ে থাকে। আমার দেখা নম্বর ওয়ান ডিফেন্ডার সে। যেদিন সে হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেদিনও আমাদের সঙ্গে আবাহনী ক্লাবেই ছিল, ক্লাব ছেড়ে যেতে চাচ্ছিল না। আমরা জোর করেই তাকে পাঠিয়ে দেই। আসলে ক্লাবের প্রতি ওর অনেক মায়া ছিল।’
প্রয়াত মুন্না খেলেছেন আবাহনীতে। আর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানে খেলেছেন কায়সার হামিদ। জাতীয় দলেও অবশ্য একই সঙ্গে খেলেছেন দু’জন। এই সাবেক তারকাও স্মৃতিচারণ করলেন মুন্নাকে নিয়ে, ‘মুন্না কখনও অনুশীলনে ছাড় দেয়নি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সিরিয়াস থাকতো। ঘরোয়া ফুটবলে আমরা দুই ক্লাবের হয়ে খেলেছি। কিন্তু জাতীয় দলে খেলেছি এক সঙ্গে। ওর সঙ্গে স্মৃতি আসলে ভোলার নয়।’








