ইউরোপা লিগে খেলতে খেলতে তাদের গায়ে এখন একটাই তকমা- ‘ইউরোপা লিগ স্পেশালিস্ট’। সেমিফাইনালে সেই দলটির কাছেই হেরে বিদায় নিতে হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। তাদের ২-১ গোলে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে সেভিয়া।
এই মৌসুমে আরও দুটি প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছে ওলে গানার সুলশারের শিষ্যদের। তবে ম্যাচের শুরুতেই ম্যানইউ এগিয়ে যাওয়ায় সম্ভাব্য এমন কিছু ভাবা যায়নি। শুরুর দিকে ডিয়েগো কার্লোস ফাউল করেছিলেন মার্কাস র্যাশফোর্ডকে। ফলশ্রুতিতে পাওয়া পেনাল্টি থেকে ৯ মিনিটে ম্যানইউকে এগিয়ে দেন ব্রুনো ফার্নান্দেস। তাদের এই অগ্রগামিতা অবশ্য বেশিক্ষণ টেকেনি। ২৬ মিনিটে সেভিয়াকে সমতায় ফিরিয়েছেন সাবেক লিভারপুল ফরোয়ার্ড সুসো।
ম্যাচের গতিপ্রকৃতি পাল্টায় বিরতির পর। ভাগ্য যে আর ইউনাইটেডের দিকে ফিরে তাকাচ্ছেই না, তা নিশ্চিত হয়ে যায় এই অর্ধেই। টানা কিছু সুযোগ নষ্ট করেছে ম্যানইউ। তখন তো সেভিয়ার নায়কই বনে যান গোলকিপার ইয়াস্সিন বুনু। ম্যানইউ ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি মার্শালকে বেশ কয়েকবার গোল বঞ্চিত করেছেন তিনি। সেই সুযোগে নিজেরা কিন্তু কোনও ভুল করেনি সেভিয়া। ৭৮ মিনিটে জয় সূচক গোলটি করেন লুক ডি ইয়ং।
হারের ফলে ম্যানইউর দুর্বলতা ধীরে ধীরে প্রকট হয়েই ধরা দিচ্ছে। ম্যাচের এই তথ্যই সেজন্য যথেষ্ট। গোলের জন্য ম্যানইউর ২০ বারের চেষ্টার বিপরীতে সেভিয়া সুযোগ পেয়েছে মাত্র ৯বার!
এছাড়া প্রিমিয়ার লিগে তৃতীয় হলেও এই মৌসুমের তিন প্রতিযোগিতাতেই তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সেমিফাইনাল! লিগ কাপের সেমিতে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হার, এফএ কাপের সেমিতেও হারতে হয়েছে চেলসির কাছে। ইউরোপা লিগে এবার তারা সেভিয়ার কাছে হেরে বিদায় নিলো।








