ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে, ৫৯ মিনিটে তার দুর্দান্ত হেডে করা গোলটাই চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখকে। কিংসলি কোমান স্বীকার করেছেন এই গোলটি করার পর আনন্দের পাশাপাশি দু:খের অনুভূতিও তাকে গ্রাস করেছিল। যে ক্লাবে তার বেড়ে ওঠা, যে ক্লাবে তার পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু সেই পিএসজির বিপক্ষেই গোল করলেন!
২৪ বছর বয়সী ফরাসি উইঙ্গার তার আট বছর বয়সে যোগ দেন পিএসজির একাডেমিতে। পিএসজির হয়ে পেশাদার অভিষেক মাত্র ১৬ বছর বয়সে। পরের বছরই অবশ্য পিএসজি তাকে বিক্রি করে দেয় জুভেন্টাসের কাছে। আট বছরের পেশাদার ফুটবল পরিক্রমায় সর্বশেষ পাঁচটি বছর তার কেটে গেল বায়ার্নের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়।
বায়ার্ন মিউনিখকে ষষ্ঠ চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জেতানোর পর কোম্যান ফ্রান্সের আরএমজি স্পোর্তকে বলেছেন, আনন্দের পাশাপাশি তার একটু দু:খও হচ্ছে এই ভেবে যে, জন্মের শহরের ক্লাবের বিপক্ষে গোল করলেন, ‘এ এক অন্যরকম অনুভূতি। দারুণ আনন্দ হচ্ছে আমার, অন্যদিকে পিএসজির জন্য বুকের মধ্যে পিএসজির জন্য একটু ব্যথাও হচ্ছে যদিও বলবো আমি শতভাগ বায়ার্নের।’
রবিবার রাতের লিসবনের দুর্দান্ত ফাইনালটি নিয়ে কোম্যানের কথা, ‘শুরু থেকেই আমার ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছি। তারা পাল্টা আক্রমণে উঠেছে। আমরা জানতাম তারা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। দারুণ খেলেছে পিএসজি, যেমনটা খেলেছি আমরাও। এটা ছিল অসাধারণ এক ফাইনাল।’
ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন কোম্যান। এই শতাব্দীতে চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ম্যান অব দ্য ম্যাচ! ২০১১ সালে ২৩ বছর বয়সে বার্সেলোনাকে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতিয়ে সর্বকনিষ্ঠ ম্যান অব দ্য ম্যাচের রেকর্ডটি এখনও ধরে রেখেছেন লিওনেল মেসি।








