করোনার প্রভাবে আর্চারি দলের আবাসিক ক্যাম্প বন্ধ ছিল প্রায় পাঁচ মাস। রোমানদের জার্মান কোচ মার্টিন ফ্রেডরিক অবশ্য এই সময়টা ভালোই কাজে লাগিয়েছেন। শিষ্যদের সঙ্গে যোগাযোগটা সহজ করতে বাংলা ভাষা শিখেছেন তিনি। সেই বাংলাকে ব্যবহারের সুযোগ পেলেন অবশেষে। করোনা-বিরতির পর অনুশীলন শুরু হয়েছে রোমানদের। প্রধান কোচ হিসেবে যথারীতি তাদের দেখভাল করছেন মার্টিন ফ্রেডরিক।
স্বাভাবিকভাবেই বিরতির কারণে আগের ফর্মে নেই রোমানরা। কোচ নিজেও জানেন, ফর্মে ফিরতে কিছুটা সময় সময় লাগবেই। তবে অনুশীলনে যে ফেরা গেছে তাতেই আনন্দিত রোমানদের কোচ। কয়েক দিন অনুশীলন করে ফ্রেডরিক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘অনেক দিন পর অনুশীলন শুরু হয়েছে। আর্চারদের আবারও নির্দেশনা দিতে পারছি বলে ভালো লাগছে। আপাতত এখনই কার কী অবস্থা, বলা কঠিন হবে। আগামী এক কিংবা দুই সপ্তাহ গেলে তখন সবার অবস্থা বোঝা যাবে। তবে অনুশীলনে ফেরা গেছে এটাই বড় বিষয়।’
টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ স্টেডিয়ামে অনুশীলন শুরু হলেও করোনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক সূচি এখনও নির্ধারণ হয়নি। তাই আপাতত অক্টোবরের ঘরোয় সূচির দিকেই দৃষ্টি এই জার্মান কোচের, ‘সামনে আপাতত আন্তর্জাতিক সূচিতে কোনও প্রতিযোগিতা সেভাবে নেই। করোনার কারণে সবকিছু স্থগিত হয়ে আছে। তবে অক্টোবরে হয়তো ঘরোয়া কর্মসূচি থাকতে পারে। তখন আর্চাররা নিজেদের পারফরম্যান্স দেখানোর সুযোগ পাবে। ততদিনে আন্তর্জাতিক সূচিও ঠিক হয়ে যাবে আশা করছি।’
করোনায় জার্মান এই কোচেরও কম ভোগান্তি হয়নি। লকডাউনের কারণে আর দেশেই ফিরে যাননি। ঢাকাতেই নিজের ফ্ল্যাটে ছিলেন। তবে এই সময়টা বাংলা শেখার কাজেও ব্যবহার করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি, ‘লকডাউনে ঢাকায় ছিলাম, জার্মানি যাইনি। এখানে বসে আগের খেলার ভিডিও দেখেছি। আর্চারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। ফলে তাদের হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশনাও দিয়েছি। এছাড়া আরও একটি কাজও করেছি। অনলাইনে বাংলা ভাষা শেখার চেষ্টা করেছি। যেন আর্চারদের সঙ্গে যোগাযোগটা আরও ভালো করা যায়।’








