২০ বছর ধরে যে ক্লাবের সঙ্গে তার অস্তিত্ব মিশে আছে, সেই ক্লাব থেকে বিদায়টা হোক তিক্ততায় ভরা, এটি লিওনেল মেসি চাননি। চাননি বলেই ভেবেছিলেন রবিবার বার্সেলোনায় পিসিআর টেস্ট (করোনা পরীক্ষা) করাবেন, যোগ দেবেন সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতিতে। কিন্তু বার্সেলোনা তার সঙ্গে আলোচনায় বসতে অস্বীকার করায় মন বদলেছেন ক্লাবটির আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পিসিআর টেস্ট করাতে যাবেন না, যোগও দেবেন না অনুশীলনে। ভেবে দেখেছেন, এটা করলে আইনগত জটিলতায় পড়তে পারেন।
রবিবার মেসি করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য ন্যু ক্যাম্পে যাবেন না, এই খবর প্রথম দিয়েছে স্পেনের বেসরকারি রেডিও আরএসি ১। দৈনিক মার্কাও পরে দেখেছে খবর সত্যি। অর্থাৎ বার্সেলোনা-মেসি বিচ্ছেদপর্ব মোটেই স্বাভাবিক হচ্ছে না। আইনি যুদ্ধই হতে যাচ্ছে। বার্সেলোনা বোর্ড ভেবেছিল মেসি তার আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করোনা পরীক্ষা দেবেন, অনুশীলনেও যোগ দেবেন। এখন সেই সিদ্ধান্ত থেকে তাকে সরে দাঁড়াতে দেখাটা তাদের কাছে খুবই অপ্রত্যাশিত ঠেকছে।
মেসি ধরেই নিয়েছেন তিনি যেহেতু আনুষ্ঠানিকভাবে দল ছাড়ার অনুরোধ জানিয়েছেন, বার্সেলোনায় তার সময় শেষ হয়ে গেছে। নিজেকে ক্লাবের অংশ মনে না করায় ন্যু ক্যাম্প থেকে প্রাপ্য বিদায়ী সংবর্ধনা নিশ্চিত করতে চান ছয়বারের ব্যালন ডি’অরজয়ী ফুটবলার।
বার্সেলোনা অবশ্য এখনও আগের অবস্থানে অনড়। কাতালান ক্লাবটি বলছে, মেসিকে নিতে চাওয়া ক্লাব রিলিজ ক্লজের ৭০০ মিলিয়ন ইউরো না দিলে এই গ্রীষ্মে বার্সেলোনা ছেড়ে যাওয়া হবে না তার।
এরিক আবিদালের বিদায়ের পর বার্সেলোনার ক্রীড়া পরিচালক পদে অভিষিক্ত রামন প্লানেস সেদিন বার্সেলোনায় ফ্রান্সিসকো ত্রিঙ্কাওয়ের পরিচিতি অনুষ্ঠানে বলেছেন, ক্লাবের সঙ্গে মেসির চুক্তিটি এখনও শেষ হয়নি।








