ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ফুটবল ক্যারিয়ারের ‘জল পড়েছিল আর পাতা নড়েছিল’ পর্তুগালের ক্লাব স্পোর্টিং সিপিতে। কিন্তু তার বড় হয়ে ওঠা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের ইউনাইটেড যেমন তার মনের মধ্যে থাকে, ম্যানচেস্টারের ক্লাবটিরও অবচেতনে অবস্থান করেন পর্তুগিজ ফুটবল মহতারকা। ২০০৯ সালের রোনালদো-বিচ্ছেদের পর আজও ইংল্যান্ডের সফলতম ক্লাবটি আরেকজন রোনালদোরঅপেক্ষায় থাকে। তাই তো স্প্যানিশ উদীয়মান খেলোয়াড় আলেহান্দ্রো গারনাচোর মধ্যে রোনালদোর খেলার ছাপ দেখেই তাকে চিলের মতো ছোঁ মেরে ওল্ড ট্রাফোর্ডে এনে তুললো ইউনাইটেড।
আতলেতিকো মাদ্রিদের একাডেমি থেকে ১৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে আনতে যথেষ্টই কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে ইউনাইটেডকে। কারণ তার ওপর লোলুপ দৃষ্টি ছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের। দৈনিক মার্কার খবর, গারনাচোর সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি হয়েছে ইউনাইটেডের।
আতলেতিকোর সঙ্গে তাদের নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়ালের সম্পর্কটা প্রত্যাশিতরকম উষ্ণ নয় বলেই জিদানের দল প্রতিশ্রুতিশীল এই খেলোয়াড়টিকে নিতে পারেনি। ডর্টমুন্ড থেকে জেডেন সাঞ্চোকে আনার ব্যাপারে জার্মান ক্লাবটির সঙ্গে চলমান কঠিন খেলাটাও ইউনাইটেডকে গারনাচোকে নিয়ে বেশি সতর্ক করে তোলে। আতলেতিকোও গারনাচোকে ছাড়তে চায়নি। যেকোনভাবেই হোক ইউনাইটেড শেষতক সফল। অবশ্য বিশ্লেষকদের ধারণা, গারনাচোর নিজেরই আগ্রহ ছিল রোনালদোর ‘রোনালদো’ হয়ে ওঠা ক্লাবে যাওয়ার। সেই একেবারে ছোট্টটি থেকেই গারনাচোর মধ্যে কাজ করে ‘রোনালদো’ হওয়ার বাসনা। তার শয়নে-স্বপনে রোনালদো। খেলার ধরনও রোনালদোর মতো। রোনালদোর মতোই গোল-শিকারী মানসিকতা। জার্সি নম্বরও সাত।
গারনাচোর কথা আলাদা। এখন ইংলিশ ক্লাবগুলোই যেন স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। প্রায় সব ক্লাবেই আপনি স্প্যানিশ খেলোয়াড় পাবেন।
এই তো ভবিষ্যতের কথা ভেবে গারনাচোর মতো আরও দুই যুব ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করে ফেলেছে ইউনাইটেড। দুজনই ডিফেন্ডার। বার্সেলোনার ১৬ বছরের মার্ক হোয়ার্দো আর রিয়াল মাদ্রিদের ১৭ বছর বয়সী আলভারো ফার্নান্দেজ।








