বাংলাদেশ ঘুরে গেছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দল। গুলশানের সন্ত্রাসী হামলার পর বাংলাদেশের অবস্থা কেমন, তার প্রতিবেদন পাওয়ার পর সবুজ সংকেতই দিয়েছে ইসিবি। যদিও খেলোয়াড়দের বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিয়েছে নিজেদের ওপর। অনেকেই এখনও দ্বিধার মধ্যে থাকলেও মঈন আলী যেন আসার জন্য মুখিয়ে আছেন রীতিমত। বাংলাদেশে না আসার কোনও কারণও দেখছেন না এই অলরাউন্ডার।
বাংলাদেশ সফরে ইংল্যান্ড খেলবে তিন ওয়ানডে ও দুই টেস্ট। এই সফরের ওয়ানডে দলে সম্ভবত বিশ্রামে থাকবেন মঈন, যোগ দেবেন টেস্ট সিরিজে। যদি সুযোগ পান স্কোয়াডে, তাহলে বাংলাদেশে আসতে কোন সমস্যা নেই ইংলিশ অলরাউন্ডারের, ‘যদি দলে থাকি, তাহলে অবশ্যই যাব।’ কার্ডিফে পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডের আগে মঈন এও জানিয়ে রাখলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে আমি খুশি। আর সত্যি মুখিয়ে আছি যাওয়ার জন্য।’
তার অনেক সতীর্থই এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি বাংলাদেশের আসার। এই জায়গাতেও তিনি সমর্থণ দিয়েছেন সতীর্থদের। সবারই নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আছে বলেও মনে করেন তিনি, ‘প্রত্যেকেই আলাদা, নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আছে। দল হিসেবে আপনাকে অন্যকে সমর্থণ দিতে হবে। কারও ওপরই কোন চাপ নেই-বিষয়টা নির্ভর করছে সে কি অনুভব করছে এ ব্যাপারে।’ নিরাপত্তা বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিটা এমন, ‘এখনকার সময়ে আপনি কোথাও নিরাপদ নন। সব কিছুই আমি বুঝতে পারছি, আর সবার সিদ্ধান্তের পক্ষেও আছি।’
মঈনের আগে উইকেটরক্ষক জনি বেয়ারস্টো ও সহকারী কোচ পল ফারব্রেস নিশ্চিত করেছিলেন তাদের বাংলাদেশে আসার বিষয়টি। যদিও সীমিত ওভারের অধিনায়ক এউইন মরগ্যান এখনো ভুগছেন দ্বিধায়।
/আরকে/








