উৎসবের আমেজে খুলনা টাইটানসের জার্সি উন্মোচন হয়ে গেল বুধবার সন্ধ্যায়। এ দিন হোটেল ওয়েস্টিনে জমকালো এক অনুষ্ঠানে বিপিএলের চতুর্থ আসরের দল খুলনা টাইটানসের জার্সি উন্মোচন করা হয়।
আগামী শুক্রবার থেকে মাঠে গড়াচ্ছে কুড়ি ওভারের টুর্নামেন্টটির চতুর্থ আসর। গত আসরে খুলনা বিপিএলে ছিল না। প্রতিযোগিতাটির চতুর্থ আসরে ‘খুলনা টাইটানস’ নামে অংশগ্রহণ করছে খুলনার দলটি। বিপিএলে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি খুলনার খেলাধুলার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চায় জেমকন গ্রুপের ‘খুলনা টাইটানস’। শুধু তাই নয়, খুলনার মানুষজনকেও সম্পৃক্ত করতে চায় দেশের বৃহৎ এই প্রতিষ্ঠানটি। খুলনা টাইটানসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিসিবির পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদের মতে টাইটানস হবে ‘খুলনার মানুষের টিম’।
শুরুতেই মঞ্চে আসেন কাজী ইনাম আহমেদ। খুলনা টাইটানসকে নিয়ে স্বপ্নের কথাগুলো জানান তিনি। কেন এবং কি উদ্দেশ্যে খুলনার ফ্র্যাইঞ্চাজি নেওয়া, সবই উঠে এসেছে তার বক্তব্যে।
তার বক্তব্যের পরই লেজার শো’র মাধ্যমে খুলনা টাইটানসের জার্সি উন্মোচন করা হয়। ২০০৭ সালে বাইক দূর্ঘটনায় নিহত মানজারুল ইসলাম রানা ও সাজ্জাদুল হাসান সেতুকে খুলনা টাইটানসের আজীবন সদস্য হিসেবে তাদের দুজনের জার্সি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে তুলে দেন কাজী ইনাম আহমেদ।
খুলনা টাইটানসেন ব্যবস্থপনা পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদ তার বক্তব্যে বলেছেন, ‘আমার মা ও বাবা আমাকে সব সময়ই ক্রীড়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে উৎসাহিত করেছেন। খুলনা গত বছর বিপিএলে ছিল না। আমরা আগ্রহী ছিলাম খুলানাকে নেওয়ার ব্যাপারে। বিসিবি সহযোগিতা করায় তাদের ধন্যবাদ।’ তিনি খুলনা টাইটানসের পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ দিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।
খুলনা টাইটানসের পরামর্শক হাবিবুল বাশার বলেছেন, ‘আমাদের দলে দেশি-বিদেশি দারুণ কিছু খেলোয়াড় রয়েছে। আশা করি ভালো কিছুই হবে।’
খুলনার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘আমাদের স্থানীয় খেলোয়াড়রা দুর্দান্ত। বিদেশিরাও দারুণ। আমরা আকর্ষণীয় ক্রিকেট খেলতে চাই। আশা করি আমরা ভালো রেজাল্ট করতে পারবো।’
জার্সি উন্মোচনের সঙ্গে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। খুলনা টাইটানসের থিম সং নিয়ে আসেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জন কবির। তিনি ছাড়াও সংগীত পরিবেশন করেছেন অদিত, বাম্মি সহ আরও অনেকে।
ছবি : সাজ্জাদ হোসেন
/আরআই/কেআর/








