বিপিএলে শুরুটা ভালো না হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্সকে দাপটের সঙ্গে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে খুলনা টাইটানস। গতবার তৃতীয় হওয়া দলটির কোচের দায়িত্বে এবার মাহেলা জয়াবর্ধনে। এ বছরের আইপিএল জয়ী মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কোচ নতুন দায়িত্ব দারুণ উপভোগ করছেন। জানালেন, সিলেটের বিপক্ষে জয় খুলনার আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে এনেছে।
টানা তিন ম্যাচ জিতে উড়তে থাকা সিলেটকে হারিয়ে খুলনার কোচ এখন দারুণ আত্মবিশ্বাসী। রবিবার দুপুরে মিরপুর ক্রিকেট একাডেমিতে টাইটানসের অনুশীলন শেষে সংবাদ মাধ্যমকে জয়াবর্ধনে বলেছেন, ‘সিলেটকে হারিয়ে আমরা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছি। আশা করি, ঢাকায় শুরুটা ভালো হবে।’
দ্বিতীয় পর্বে খুলনার প্রথম প্রতিপক্ষ চিটাগং ভাইকিং, আগামীকাল রবিবার। সিলেটের মতো মিরপুরেও উপভোগ্য লড়াইয়ের আশা শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং কিংবদন্তির, ‘সিলেটে সময়টা দারুণ উপভোগ করেছি। ভেন্যু হিসেবে সিলেট অসাধারণ। সেখানে আমরা দারুণ সাপোর্ট পেয়েছি, ছেলেদেরও সময় খুব ভালো কেটেছে। সিলেটের মতো ঢাকার ম্যাচগুলোও রোমাঞ্চকর হবে বলে মনে করি।’
খেলোয়াড়ি জীবনে ছিলেন শ্রীলঙ্কার সেরা ব্যাটসম্যান। লঙ্কানদের বহু জয়ের নায়কের সামনে এখন কোচিংয়ের চ্যালেঞ্জ। ‘খেলোয়াড় না কোচ কোন ভূমিকা বেশি চ্যালেঞ্জিং’ প্রশ্নে জয়াবর্ধনে বলেছেন, ‘দুটি দুই রকম চ্যালেঞ্জ। খেলোয়াড় হিসেবে ক্রিকেট দারুণ উপভোগ করতাম। এখন কোচিংও উপভোগ করি। আমি চাই নির্ভার থেকে তরুণদের নিয়ে এগিয়ে যেতে।’
খুলনার কোচের আশা, গতবারের চেয়ে এবারের বিপিএল বেশি উপভোগ্য হবে, ‘গত বছরের চেয়ে এ বছর মানসম্পন্ন বিদেশি খেলোয়াড় বেশি এসেছে। যে কোনও প্রতিযোগিতা আকর্ষণীয় করতে ভালো খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।’
সিলেটে ৮টি ম্যাচে স্থানীয় খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স তেমন চোখে পড়ার মতো ছিল না। পাঁচজন বিদেশি একাদশে রাখার নিয়ম স্থানীয়দের চাপে ফেলে দিয়েছে কিনা প্রশ্নে জয়াবর্ধনের জবাব, ‘স্থানীয় খেলোয়াড়দের আরও সময় দিতে হবে। স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে যারা সেরা, তারাই বিপিএলে সুযোগ পায়। বাংলাদেশ জাতীয় দলে কিন্তু ৩০ জন খেলে না, খেলে মাত্র ১১ জন!’








