এবি ডি ভিলিয়ার্স ও ডেল স্টেইনকে ফিরে পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরই মধ্যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চার দিনের টেস্ট দুই দিনে জিতেছে পূর্ণ শক্তিশালী দলটি। এবার তাদের আসল পরীক্ষা দিতে হবে আত্মবিশ্বাসী ভারতের বিপক্ষে। শুক্রবার বেলা আড়াইটায় কেপটাউনে শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের এ টেস্ট সিরিজ।
টেস্ট র্যাংকিংয়ের এক নম্বরে ভারত। ঠিক তাদের পরেই দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রতিদ্বন্দ্বিতার উত্তেজনা তাই আকাশচুম্বী। তিন বছর আগে ভারতের মাটিতে বিপর্যস্ত হয়ে দেশে ফেরার প্রতিশোধ নিতে মুখিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। স্টেইন-ডি ভিলিয়ার্সকে নিয়ে ‘শেষবার’ ভারতের বিপক্ষে উচ্ছ্বাস করতে চায় প্রোটিয়ারা।
স্বাগতিক অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসিস বলেছেন সেকথা, ‘আমি জানি না আবার ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ কবে! সম্ভবত এটাই আমাদের (সিনিয়র খেলোয়াড়) ভারতের বিপক্ষে শেষ খেলা। দক্ষিণ আফ্রিকায় তাদের বিপক্ষে খেলার চেয়ে ভালো ব্যাপার আর কী আছে? গতবার ওদের মাটিতে আমরা হতাশ হয়েছিলাম। সেই হিসাব এবার চুকিয়ে দিতে চাই।
হিসাবের লেনদেনের পরিকল্পনা করছে ভারতও। ২৫ বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট সিরিজ জিততে পারে না তারা। সিরিজ তো দূরের কথা, ১৭টি খেলে ম্যাচই জিতেছে মাত্র দুটি! এবার সেই বৃত্ত ভাঙতে চায় বিরাট কোহলিরা। আত্মবিশ্বাস জাগাচ্ছে দলের বর্তমান ফর্ম। দক্ষিণ আফ্রিকার গতিময় উইকেটে তারা ঝড় তুলতে চায় উমেশ যাদব-জশপ্রীত বুমরাহদের নিয়ে।
দক্ষিণ আফ্রিকান পিচ বিপজ্জনক হলেও এবার স্টেইন-ফিল্যান্ডারদের বাউন্সার নিয়ে সতর্ক ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান চেতেশ্বর পূজারা বলেছেন, ‘কোহলি ও রোহিত শর্মার মতো সতর্ক ব্যাটসম্যান নিয়ে দল এখন ভারসাম্যপূর্ণ। এবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে পারবো।’ পূজারার মতো এবারও অনেকের বিশ্বাস, ভারত এবার ফিরবে অন্য বেশে। ক্রিকইনফো







