সর্বশেষ এশিয়া কাপ হয়েছিল ঢাকায়, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মেহেদী হাসান মিরাজের অভিষেক সে বছরের অক্টোবরে। তাই আগামী মাসে দুবাই-আবুধাবিতে অনুষ্ঠেয় এশিয়া কাপে খেলার সম্ভাবনায় রোমাঞ্চিত তরুণ অফস্পিনার।
আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ দল ঘোষণা করার কথা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তিনটি ওয়ানডেতেই মাঠে নামা মিরাজের দলে থাকার উজ্জ্বল সম্ভাবনা। এশিয়ার সেরা ক্রিকেট টুর্নামেন্ট নিয়ে তিনি রীতিমতো উচ্ছ্বসিত। মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের অনুশীলনের ফাঁকে তার মন্তব্য, ‘আগে কখনও এশিয়া কাপে খেলিনি। তাই দলে সুযোগ পেলে দারুণ ব্যাপার হবে। এটা হবে আমার জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ। আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত। মাঠে নামার সুযোগ পেলে শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করবো।’
এশিয়া কাপে আগে না খেললেও আরব আমিরাতের মাটিতে খেলার অভিজ্ঞতা আছে মিরাজের। ২০১৪ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলেছিল তার নেতৃত্বে। অতীত অভিজ্ঞতার কারণে এবার ভালো খেলতে আশাবাদী মিরাজ, ‘দুবাইয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলেছিলাম। তাই আমিরাতের উইকেট সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা আছে। আশা করি, আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সেখানে ভালো খেলতে পারবো।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজে তিনটি ওয়ানডেতে মাত্র তিন উইকেট নিলেও ইকোনমি রেট ভালোই ছিল তার। ওভার প্রতি ৪.০৬ রান দিয়ে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ে অবদান রেখেছেন তিনি। এবার মিরাজের সামনে উপমহাদেশের ব্যাটসম্যানদের আটকানোর চ্যালেঞ্জ, ‘উপমহাদেশের ব্যাটসম্যানরা সাধারণত স্পিন ভালো খেলে। তাই আমাকে এশিয়া কাপের জন্য ভালো প্রস্তুতি নিতে হবে। দলের প্রয়োজন পূরণ করাই আমার লক্ষ্য, বাড়তি চাপ নিতে চাই না।’
বয়সভিত্তিক দলে যখন খেলতেন, তার পরিচয় ছিল অলরাউন্ডার। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ৫৬টি ওয়ানডেতে ১২টি ফিফটি সহ ২৯ গড়ে এক হাজার ৩০৫ রান করেছেন মিরাজ। কিন্তু জাতীয় দলে ব্যাট হাতে তিনি অনুজ্জ্বল, বিশেষ করে ওয়ানডেতে। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ১১ ম্যাচে মাত্র ৫১ রান করা মিরাজের নিজের ব্যাটিং নিয়ে বিশ্লেষণ, ‘ওয়ানডেতে যখন ব্যাট করতে নামি, তখন আমাদের ইনিংস থাকে শেষের দিকে। তাই বেশিক্ষণ ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাই না। এবার সুযোগ পেলে ভালো করার চেষ্টা করবো। বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিংয়েও ভালো করতে পরিশ্রম করছি।’








