পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দলে সুযোগ হয়নি মোহাম্মদ আমিরের। ওয়ানডে ফরম্যাটে ফর্মহীনতায় উপেক্ষিত এই পেসার। এরপরও ইংল্যান্ডের আসরে আমিরকে দেখছেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম।
বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। বিশ্বকাপের জন্য পাকিস্তানের ঘোষিত ১৫ জনের দলে না থাকলেও এই সিরিজের স্কোয়াডে আছেন আমির। ৫০ ওভারের এই সিরিজে ভালো করতে পারলে বিশ্বকাপের দরজা খুলে যেতে পারে ফর্মহীনতায় ভোগা এই পেসারের। কারণ প্রত্যেক দল ২৩ মে’র আগে আইসিসির অনুমোদন ছাড়াই খেলোয়াড় পাল্টাতে পারবে।
৮ মে ইংল্যান্ডের মাটিতে শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। ইংলিশ কন্ডিশনে বরাবরই দুর্দান্ত আমির নিজেকে প্রমাণ করে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেবেন বলে মনে করেন ওয়াসিম। স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে ২০১১ ও ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ মিস করা আমির এবারও স্বপ্নভঙ্গ হওয়ার পথে। যদিও ওয়াসিমের বিশ্বাস, ইংল্যান্ডের মঞ্চে দেখা যেতে পারে তাকে।
বার্তা সংস্থা ‘এএফপি’কে সাবেক এই পেসার বলেছেন, ‘আমরা আমিরকে বিশ্বকাপের গণনা থেকে বাদ দিতে পারি না। ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে আমির আমার এক নম্বর পছন্দ, যেখানে সে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে।’ সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘আমার বিশ্বাস, সে (আমির) শিগগিরই ছন্দে ফিরতে পারবে।’
পাকিস্তানের এবারের বিশ্বকাপ দলটি তারুণ্য নির্ভর। বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে কেবল সরফরাজ আহমেদ, শোয়েব মালিক, মোহাম্মদ হাফিজ ও হারিস সোহেলের। তবে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসরে অভিজ্ঞতা খুব দরকার বলে মনে করেন ওয়াসিম, ‘তারুণ্যের প্রতি আমারও আস্থা আছে, তবে অভিজ্ঞতার কোনও বদলি হয় না। আমাদের দলে তারুণ্যের সঙ্গে অভিজ্ঞতার মিশেল থাকতে হবে।’
আমির শিগগিরই চেনা রূপে ফিরবেন, এই বিশ্বাসও আছে তার মনে, ‘ও খুব তাড়াতাড়ি সবকিছুর সঙ্গে মানিতে নিতে পারে। তাই আশা করছি শিগগিরই সব বিষয় ওর অনুকূলে চলে আসবে। কারণ আমিরকে খুব দরকার পাকিস্তানের।’
৫ মে এক ম্যাচের টি-টোয়েন্টি দিয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শুরু করবে পাকিস্তান। আর পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরুর হবে ৮ মে থেকে। এই সিরিজ শেষে ২৪ মে আফগানিস্তান ও ২৬ মে বাংলাদেশের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে নামবে পাকিস্তান। এরপর ৩১ মে নটিংহামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মূল মিশন শুরু করবে সরফরাজরা। এএফপি








