জসপ্রীৎ বুমরাহর পেস আগুনের পর ঘূর্ণি তুললেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তাতে দিশেহারা দক্ষিণ আফ্রিকা যেতে পারেনি বেশিদূর। সাউদাম্পটনে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তারা স্কোরে জমা করেছে ২২৭ রান।
টানা দুই হারের পর বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের খোঁজে নেমেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা প্রোটিয়ারা মোটেও সুবিধা করতে পারেনি। লোয়ার অর্ডারে ক্রিস মরিস (৪২), আন্দিলে ফেলুকাও (৩৪) ও কাগিসো রাবাদা (৩১*) কার্যকরী ইনিংস না খেললে আরও আগেই থামতে হলো তাদের!
শুরুতে প্রোটিয়াদের ধস নামান বুমরাহ। ভারতীয় পেসার দুই ওভারে ফেরান দুই ওপেনার হাশিম আমলা ও কুইন্টন ডি কককে। মাথায় আঘাত পেয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে আগের ম্যাচ মিস করা আমলা কিছুই করতে পারেননি। ৯ বলে মাত্র ৬ রান করে রোহিত শর্মার হাতে ধরা পড়ে ফেরেন প্যাভিলিয়নে।
ডি ককও ব্যর্থ। বুমরাহর শিকার হয়ে এই ওপেনার ফেরেন ১৭ বলে মাত্র ১০ রান করে। শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছিলেন ফাফ দু প্লেসি ও রাসি ফন ডার ডাসেন। তাদের ৫৪ রানে জুটিতে আশার আলো দেখলেও চাহালের ঘূর্ণিতে আবার সব এলোমেলো। এক ওভারে ডাসেন (২২) ও দু প্লেসিকে (৩৮) ফিরিয়ে আরও চেপে ধরেন প্রোটিয়াদের।
জোড়া আঘাত হানা চাহাল শেষ পর্যন্ত ১০ ওভারে ৫১ রান দিয়ে পেয়েছেন ৪ উইকেট। পরে ডেভিড মিলারের (৩১) সঙ্গে আন্দিলে ফেলুকাওয়ের উইকেটও নিয়েছেন এই স্পিনার। জেপি দুমিনিকে (৩) ফিরিয়েছেন আরেক স্পিনার কুলদীপ যাদব।
ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার পর জ্বলে উঠেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান বোলাররা। শেষ দিকে তাদের প্রতিরোধেই বিশ্বকাপে ভুগতে থাকা প্রোটিয়াদের রান ২২৭ পর্যন্ত যায়।
সবচেয়ে সফল বোলার চাহালের সঙ্গে দুইবার করে উইকেট উদযাপনে মেতেছিলেন দুই পেসার বুমরাহ (২/৩৫) ও ভুবনেশ্বর কুমার (২/৪৪)।







