‘আমি কখনও দেশ বিক্রি করিনি’

স্পোর্টস ডেস্ক
২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২০:৫১আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২০:৫৩

এক ভিডিও বার্তায় মিয়াঁদাদের অভিযোগের জবাব দিয়েছেন কানেরিয়া জাভেদ মিয়াঁদাদ বলেছিলেন, দানিশ কানেরিয়া পাদপ্রদীপের আলোয় আসতেই তার প্রতি সতীর্থদের বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলেছেন এবং তার পক্ষে ‘টাকার বিনিময়ে যেকোনও কিছু’ করা সম্ভব। দিনকয়েক চুপচাপ ছিলেন কানেরিয়া। কথাগুলো হজম করতে পারছিলেন না। অবশেষে নিজের ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে ভিডিও বার্তায় শনিবার মিয়াঁদাদকে জবাব দিয়েছেন। সরাসরি নয়, ঘুরিয়ে।

পাকিস্তান ক্রিকেট দলে সর্বশেষ এবং দ্বিতীয় হিন্দু সদস্য হিসেবে খেলা কানেরিয়া বলেছেন, তার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের দাবিটা শোয়েব আখতারই প্রথম করেছেন এবং তার সাবেক সতীর্থ যা বলেছেন তাতে তিনি শুধু সায় দিয়ে গেছেন। ‘যারা বলছেন সস্তা নাম কামাতে আমি এটা করেছি, তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই আমি এটি করিনি, জাতীয় টেলিভিশনে শোয়েব আখতারই আমার বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের বিষয়টি তুলেছেন’-বলেছেন কানেরিয়া।

অনুচ্চারে মিয়াঁদাদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক লেগস্পিনার, ‘আপনি আমার হাত-পা কেটে ফেলেছেন। আমি এত লম্বা সময় ধরে বেকার। আর কী চান আপনি? নিজেকে নিজেই শেষ করে দিই?’

‘টাকার বিনিময়ে সে যেকোনও কিছু করতে পারে’- বলে মিয়াঁদাদ ২০১২ সালে ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার সময় ফিক্সিংয়ের দায়ে কানেরিয়ার আজীবন নিষিদ্ধ হ্ওয়ার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। কিন্তু এই ফিক্সিংয়ের সূত্র ধরেই পাকিস্তানের সর্বকালের অন্যতম প্রভাবশালী ক্রিকেট ব্যক্তিত্বকে, এমনকি পাকিস্তানের ক্রিকেটকেই নিদারুণ এক সত্যের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন কানেরিয়া। পরিষ্কার করে কারও নাম করেননি, তবে বলেছেন পাকিস্তানের অনেক খেলোয়াড়ই ম্যাচ পাতিয়ে ‘দেশ বিক্রি’ করেছেন। সেই তাদেরই আবার সাদরে বরণ করে নেওয়া হয়েছে দলে, ‘লোকে বলছে আমি পাকিস্তানের হয়ে ১০ বছর খেলেছি। কিন্তু আমি ১০ বছর খেলেছি আমার রক্তের বিনিময়ে। ক্রিকেট পিচে আমি রক্ত ঢেলে দিয়েছি। আমার আঙুল ফেটে রক্ত ঝরছে, এ অবস্থায়ও আমি বোলিং করে গেছি। অনেক লোকই দেশ বিক্রি করেছে, তবু তারা এখনও বরণীয় দলে। টাকার জন্যে আমি কখনও আমার দেশ বিক্রি করিনি।’

/পিকে/এএআর/
সম্পর্কিত
২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
টেইটের জায়গায় তালহা জুবায়ের, প্রশংসায় ভাসালেন হান্নান সরকার 
পদত্যাগ করেছেন শন টেইট
সর্বশেষ খবর
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
হবিগঞ্জে নারীর মুখে এসিড নিক্ষেপ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
বগুড়ায় দই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী 
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি