ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল। আছে চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়েও। বাড়তি যোগ হতে পারে প্রিমিয়ার লিগের ট্রফি। ইংল্যান্ডের সেরা হওয়া দৌড়ে যে অনেকটা এগিয়ে অলরেডস। ইয়ুর্গেন ক্লপের অধীনে আমূল বদলে যাওয়া লিভারপুল তাই এখন স্পন্সরদের চোখে ‘হট কেক’। এই যেমন নাইকি। আমেরিকান ক্রীড়া সামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মোটা অঙ্কের অর্থে লিভারপুলের সঙ্গে চুক্তি সেরে নিয়েছে।
আজ (মঙ্গলবার) এই চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে লিভারপুল। সামনের মৌসুম থেকে তাদের জার্সিতে দেখা যাবে নাইকি। ২০২০ সালের ১ জুন থেকে কার্যকর হওয়া চুক্তিটি কত দিনের সেটা অবশ্য এখনও জানায়নি লিভারপুল। তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি মেইল’-এর খবর, লম্বা সময়ের এই চুক্তিতে বছরে ৮০ মিলিয়ন পাউন্ড পাবে লিভারপুল।
যাতে কিট চুক্তিতে নতুন রেকর্ড গড়লো ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা। ইংল্যান্ডে আগের রেকর্ডটি ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। জার্মান ক্রীড়া সামগ্রী প্রস্তুতকারী অ্যাডিডাসের সঙ্গে চুক্তিতে বছরে ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড পায় রেড ডেভিলস। এতদিন রেকর্ডটা তাদের থাকলেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিভারপুলের দখলে চলে গেল নাইকির সঙ্গে নতুন চুক্তিতে।
ইউরোপিয়ান ফুটবলে কিট স্পন্সরের চুক্তিতে বছরে সবচেয়ে বেশি আয় করে বার্সেলোনা। ২০১৮ সালে নাইকির সঙ্গে ১০ বছরের চুক্তিতে প্রতি মৌসুমে কাতালানরা পায় ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ ৯৮ পাউন্ড পায় অ্যাডিডাস থেকে। এরপরই এখন লিভারপুলের ৮০ মিলিয়ন পাউন্ড।
চলতি মৌসুম শেষেই লিভারপুলের চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে নিউ ব্যালেন্সের সঙ্গে। বোস্টনভিত্তিক ক্রীড়া সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অলরেডদের সঙ্গে আছে ২০১৫ সাল থেকে। চুক্তি ধরে রাখার খুব চেষ্টা করেছিল তারা। কিন্তু নাইকির কাছ থেকে লোভনীয় প্রস্তাব পাওয়ার পর নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে সামনের ২০২০-২১ মৌসুম থেকে।
এক বিবৃতিতে লিভারপুল জানিয়েছে, ‘লিভারপুল ফুটবল ক্লাব অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছে, ২০২০-২১ মৌসুম থেকে নাইকি অফিসিয়াল কিট সরবরাহ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে।’ লিভারপুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বেলি হোগান ভীষণ আনন্দিত, ‘নাইকিকে আমাদের পরিবারে স্বাগতম। আশা করছি ক্লাবের সঙ্গে তাদের পথচলা সুন্দর ও আনন্দের হবে।’








