নিজেদের কাজটা সেরে রাখলেন বোলাররা। এখন দায়িত্ব ব্যাটসম্যানদের। যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে সহজ লক্ষ্য পেয়েছে বাংলাদেশ। পচেফস্ট্রুমের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে অল্পতে আটকে রেখেছে তারা। বাংলাদেশের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে কিউইরা নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে করতে পেরেছে ২১১ রান।
এবারের আগেও একবার যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা হয়েছিল বাংলাদেশের। তবে কখনও শেষ চারের চৌকাঠ পেরিয়ে ফাইনাল মঞ্চে যাওয়া হয়নি। এবার সুবর্ণ সুযোগ আকবর আলীদের সামনে। ফাইনালে উঠতে করতে হবে ২১২ রান।
নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরুতেই নিউজিল্যান্ডকে চেপে ধরে বাংলাদেশ। ৭৪ রান তুলতে ৪ উইকেট হারায় কিউইরা। ওই জায়গা থেকে প্রতিরোধ শুরু দুই ব্যাটসম্যান নিকোলাস লিডস্টোন ও বেকহাম হুইলার-গ্রিনালের। তাদের ৫০ ছাড়ানো জুটিতে চাপ কাটিয়ে উঠলেও স্বস্তি ফেরেনি। ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই আবারও উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। ৪৪ রান করা লিডস্টোনকে আউট করে জুটি ভাঙেন পেসার শরিফুল ইসলাম। সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই নিউজিল্যান্ড ষষ্ঠ উইকেট হারায় হাসান মুরাদের বলে কুইন সান্ডে (১) বোল্ড হলে।
এরপরও কিউইদের রান ২০০ ছাড়িয়েছে হুইলার-গ্রিনালের অপরাজিত হাফসেঞ্চুরির ইনিংসে ভর দিয়ে। একপান্ত আগলে রেখে এই ব্যাটসম্যান খেলেন হার না মানা ৭৫ রানের ইনিংস। ৮৩ বলের ইনিংসটি তিনি সাজান ৫ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রান এসেছে লিডস্টোনের ব্যাট থেকে। ২৪ রান করেন ফার্গুস লেলম্যান।
তারা ছাড়া আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি বাংলাদেশের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে। সবচেয়ে ভয়ংকর ছিলেন শরিফুল ইসলাম। বাংলাদেশি পেসার ১০ ওভারে ২ মেডেনসহ ৪৫ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। যদিও নিউজিল্যান্ডের টপ অর্ডারে ধস নামিয়ে আসল কাজটা করেছিলেন শামীম হোসেন। ৩১ রান দিয়ে তার শিকার ২ উইকেট। হাসান মুরাদও ছিলেন দুর্দান্ত। ১০ ওভারে মাত্র ৩৪ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।








