৩ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রতিপক্ষকে হারানো, চাট্টিখানি কথা নয়! প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে এই দৃশ্য কমই দেখা গেছে। নীলফামারীর শেখ কামাল স্টেডিয়ামে এমন চমকই দেখিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংসকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে মাঠ ছেড়েছে মারুফুল হকের দল। দেশের একমাত্র উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্সধারী কোচের মনে শেষ পর্যন্ত ছিল আত্ববিশ্বাস, ঘুরে দাঁড়াবে দল।
মারুফুল এখানেই থামতে চাইছেন না। এগিয়ে যেতে চান বহুদূর। তার চোখ শিরোপার দিকে। চট্টগ্রাম আবাহনী কখনও লিগের ট্রফি জিততে পারেনি। গতবার হয়েছে অষ্টম। ২০১৫-২০১৬ মৌসুমে রানার্স-আপ ট্রফিই তাদের সেরা সাফল্য।
বন্দরনগরীর এই দলকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন মারুফুল, ‘আমি লিগ শুরুর আগেই বলেছিলাম, এই দলটিকে নিয়ে ট্রফি জেতা সম্ভব। এখনও তাই মনে করি। আমরা সঠিক পথেই আছি। দলকে যেভাবে খেলাতে চাইছি সেভাবেই খেলছে। সবকিছু ঠিকঠাক মতো চলতে পারলে প্রথমবারের মতো ট্রফি জেতা সম্ভব মনে করি।’
বসুন্ধরায় শুধু জাতীয় দলের খেলোয়াড়ই নয়, রয়েছে কলিনদ্রেস-বখতিয়ার-দেলমন্তের মতো উঁচু মানের বিদেশি খেলোয়াড়। তাদের বিপক্ষে কিনা শেষ ৩০ মিনিটে ৪ গোল! মারুফুল আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই বললেন, ‘আমার দলের ওপর আমার আস্থা আছে। তাদের বিরতিতে শুধু বলেছি স্বাভাবিক খেলাটা খেলো। পাসিংয়ের সঙ্গে কুইক ফুটবল। নিজের খেলার দিকে মনোযোগ দাও। এভাবে খেলতে পারলে গোল আসবেই। এটাই বলেছি, তোমরা ৪ গোল দিতে পারবে। খেলোয়াড়রা আমার কথা রেখেছে।’
দলের বিদেশি খেলোয়াড়দেরও প্রশংসা করেছেন মারুফুল, ‘আমার দলে বিদেশি খেলোয়াড়দের মানও ভালো। তারা কোনও অংশে কম নয়। তাদের নিয়েই আমরা লড়াই করে যাচ্ছি। এছাড়া স্থানীয়রা কম লড়াকু নন।’








