প্রথম দিন পাকিস্তানের ঘুরে দাঁড়াতে অবদান ছিল অধিনায়ক বাবর আজম ও ফাওয়াদ আলমের। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ৩ উইকেটে ১৪৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করা দলটিই শেষ পর্যন্ত প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেছে ২৭২ রানে। স্বাগতিকদের তিনশ’র আগে রুখে দিতে পারলেও উল্টো নিজেরাই চাপে পড়ে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় দিন শেষে ১০৬ রান তুলতে ৪ উইকেট হারিয়েছে প্রোটিয়ারা। যারা এখনও পিছিয়ে ১৬৬ রানে।
দিনের শুরুতেই অধিনায়ক বাবর আজমকে হারায় পাকিস্তান। নর্কিয়ার তোপে তিনি বিদায় নেন ৭৭ রানে। আগের দিন তার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়া ফাওয়াদ আলমও বেশি কিছু করতে পারেননি। ৩ রান যোগ করে রান আউটের শিকার হয়ে বিদায় নিয়েছেন ৪৫ রানে। এর পর দ্রুত বিপদে পড়ে যাওয়া পাকিস্তানের হাল ধরেছিলেন বোলিং অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফ। গুটিয়ে যাওয়ার আগে তার প্রতিরোধেই স্কোর হয়েছে ২৭২ রান।
প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের তিনশ’র আগে থামাতে বড় অবদান ছিল প্রোটিয়া পেসার আইনরিখ নর্কিয়ার। ৫৬ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। ৯০ রানে তিনটি নেন বামহাতি স্পিনার কেশব মহারাজ।
পাকিস্তানকে বড় স্কোর করতে না দিয়ে প্রোটিয়ারা নিজেরাও খুব বেশি স্বস্তিতে নেই। উল্টো নিজেরাই পরিস্থিতি আরও কঠিন তুলেছে। ১০৬ রানে হারিয়েছে ৪ উইকেট।
দক্ষিণ আফ্রিকাকে শুরু থেকেই চাপে ফেলে দেয় স্বাগতিক বোলাররা। ষষ্ঠ ওভারে জোড়া আঘাতে ওপেনার ডিন এলগার ও রাসি ফন ডার ডাসেনকে ফেরান হাসান আলী। এইডেন মারক্রামও ৩২ রানের বেশি করতে পারেননি। তাকে বিদায় দিয়েছেন অভিষেকে আলো ছড়ানো স্পিনার নুমান আলী। অভিজ্ঞ ফাফ দু প্লেসিও ১৭ রানে বিদায় নেন অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফের বলে গ্লাভসবন্দি হয়ে।









