বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) চতুর্থ আসর মাঠে গড়াবে ১২ জানুয়ারি। এবার ডাবল রাউন্ড পদ্ধতিতে খেলবে ৪টি দল। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের চার ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য অন্য কোনও ভেন্যু ব্যবহার করতে পারছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
তাই সবগুলো ম্যাচই হবে বগুড়া ও রাজশাহী স্টেডিয়ামে। প্রত্যেকটি ম্যাচে ম্যাচ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ হাজার টাকা করে। দিন প্রতি হাতখরচ দেওয়া হবে ২ হাজার টাকা। প্রতিটি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের হাতে উঠবে ২৫ হাজার টাকার চেক। ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য আর রানার্সআপ দল পাবে ১৫ লাখ টাকা।
টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় পাবেন এক লাখ টাকা। বুধবার বিসিএল শুরুর আনুষ্ঠানিক তারিখ ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির প্রধান আকরাম খান।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দীন চৌধুরী সুজন ও ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চলের কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।
এদিকে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা না থাকায় দলগুলো খেলোয়াড় নিয়ে পড়েছে ঝামেলায়। তাদেরকে বাধ্য হয়েই খুঁজতে হচ্ছে বিকল্প ক্রিকেটার। এক অঞ্চলের খেলোয়াড়দের আগের আসরগুলোতে অন্য অঞ্চলের হয়ে খেলতে দেখা গেছে। এর কারণ ছিল তাদেরকে খেলার সুযোগ করে দেওয়া। এবার জাতীয় দলের খেলোয়াড় না থাকায় তাদেরকে নিজস্ব অঞ্চলভিত্তিক ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে নিতে চাচ্ছে। কিন্তু তাদের ছাড়তে চাচ্ছে না পুরোনো দল।
এ নিয়েই চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে দলগুলোর মধ্যে। বিশেষ করে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলের পক্ষ থেকে আপত্তি জানিয়ে চিঠিও দেওয়া হয়েছে বিসিবিকে। বিসিবির নিয়ম অনুযায়ী খেলোয়াড়রা আগের দলেই খেলবেন। যদি আগের দল তাদের ছাড়তে রাজি হয়, সে ক্ষেত্রে নতুন দলে যাওয়ার সুযোগ পাবেন তারা।
এ প্রসঙ্গে আকরাম খান বলেন, 'ঢাকার অনেক খেলোয়াড় আগের আসরে দলে সুযোগ পায়নি। পরে নির্বাচকরা তাদেরকে বরিশালে সুযোগ করে দিয়েছেন। এভাবে নিয়ম হয়ে গেছে যে আগের আসরের দলেই খেলতে হবে খেলোয়াড়দের। এটাই এখন বোর্ডের নিয়ম।'
প্রসঙ্গত, বিসিএল চতুর্থ আসরে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে এখনও কাউকে পায়নি টুর্নামেন্ট কমিটি। তবে চেষ্টা চলছে বলে জানান আকরাম খান।
/আরআই/এফআইআর/








