লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের পেসার আলাউদ্দিন বাবু। তার হ্যাটট্রিকেই রূপগঞ্জ ১১১ রানে অলআউট হয়। এরপর সেই লক্ষ্য ওপেনার মিজানুর রহমানের হাফসেঞ্চুরিতে (৭৪) ২৭ বল হাতে রেখে ২ উইকেট হারিয়ে টপকে যায় ব্রাদার্স ইউনিয়ন।
একই মাঠে দুই রকম অভিজ্ঞতা রয়েছে আলাউদ্দিনের। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের সবচেয়ে খরুচে বোলার তিনিই। শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে এক ওভারে ৩৯ রান দেওয়ার বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা হয়েছিল তার। আবার এই মাঠেই হ্যাটট্রিকের আনন্দ উদযাপন করলেন। আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে মুক্তার আলী, সোহাগ গাজী ও নাবিল সামাদকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের আনন্দে মাতেন এই পেসার।
টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ষষ্ঠ হ্যাটট্রিক এটি। আল আমিন হোসেন দুইবার এই কীর্তি গড়েছিলেন। ২০১৩ সালে বিসিবি একাদশের হয়ে আবাহনীর বিপক্ষে প্রথম এই কীর্তি গড়েন আল আমিন। ২০১৫ সালে আবারও তিনি বরিশাল বুলসের হয়ে সিলেটে সুপার স্টারসের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন। তিন বছর পর ২০১৯ সালে ঢাকা ডায়নামাইটসের আলিস আল ইসলাম রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন। একই বছর প্রাইম দোলেশ্বরের মানিক খান বিকেএসপির বিপক্ষে করেন হ্যাটট্রিক। আর ২০২০ সালে ফরচুন বরিশালের কামরুল ইসলাম রাব্বি মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন।
টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে আলাউদ্দিনের বোলিং তোপে ১১১ রানে অলআউট হয় রূপগঞ্জ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক নাঈম ইসলাম। দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে সাব্বির রহমানের ব্যাট থেকে আসে ১৮ বলে ২৩ রান।
২১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দলের ব্রাদার্সের সেরা বোলার আলাউদ্দিন। এছাড়া সুজন হাওলাদার, সাকলাইন সজিব দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
১১২ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে দারুণ শুরু পায় ব্রাদার্স। দুই ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিকী ও মিজানুর রহমান মিলে ৫৩ রান করে জয়ের ভিত গড়ে দেন। জুনায়েদ ২১ রানে আউট হলেও মিজানুর জয়ের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে আউট হয়েছেন। ৫২ বলে ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ক্যারিয়ারসেরা ৭৪ রানের ইনিংস খেলেছেন মিজানুর। এরপর ২৭ বল হাতে থাকতেই জাহিদুজ্জামান (১১*) ও মাইশুক্কুর রহমান (৬*) মিলে নিশ্চিত করেন ব্রাদার্সের ৮ উইকেটের জয়।
সানজামুল ইসলাম ও সোহাগ গাজী একটি করে উইকেট নিয়েছেন।









