এক ম্যাচে অভিষেক হয়েছে ইংল্যান্ডের পাঁচ খেলোয়াড়ের। অন্যদের অভিজ্ঞতাও খুব বেশি নয়। অধিনায়কের দায়িত্ব সামলানো বেন স্টোকসই যা কেবল আলাদা। অর্থাৎ, অনভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় সারির দল নামিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেই দলটির কাছেই কিনা বাবর আজমরা লজ্জায় মাথা লুকালো!
কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনসের প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। স্বাগতিক বোলারদের সামনে, বিশেষ করে সাকিব মাহমুদের তোপে দাঁড়াতেই পারেননি পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। ৩৫.২ ওভারে মাত্র ১৪১ রানে অলআউট হয়ে যায় সফরকারীরা। সহজ লক্ষ্য মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ২১.৫ ওভারে টপকে যায় ইংলিশরা। বিশাল জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ১-০তে এগিয়ে গেছে স্টোকসরা।
কয়েকদিন আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সীমিত ওভারের সিরিজ শেষ করেছে ইংল্যান্ড। করোনাভাইরাসের কারণে বায়ো বাবলে লম্বা সময় থাকায় মূল দলের সবাইকে বিশ্রামে রেখে নতুন স্কোয়াড ঘোষণা করে তারা। ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে অভিষেক হয়ে যায় পাঁচজনের- ব্রেডন কার্সি, জন সিম্পসন, লুইস গ্রেগরি, ফিল সল্ট ও জ্যাক ক্রলির।
তাদের নিয়ে একাদশ সাজানোয় ১৯৮৫ সালের পর প্রথমবার সবচেয়ে কম অভিজ্ঞ দল নিয়ে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। যেখানে সবার মিলিত ম্যাচ সংখ্যা মোটে ১২৪, যার মধ্যে ৯৮ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অধিনায়ক স্টোকসের একারই! অনভিজ্ঞ দলের হয়ে মাত্র পঞ্চম ওয়ানডে খেলতে নামা মাহমুদ তার সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। ১০ ওভারে ৪২ রানে ৪ উইকেট নিয়ে এই পেসার ভেঙে দেন পাকিস্তানের টপ অর্ডার। তার সঙ্গে ক্রেগ ওভারটন (২/২৩) ও ম্যাট পার্কিনসনের (২/২৮) চমৎকার বোলিংয়ে দেড়শ রানও করতে পারেনি পাকিস্তান।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৬ রান তুলতে ৪ উইকেট হারায় পাকিস্তান। সেই ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ব্যর্থতার ভিড়ে সর্বোচ্চ ৪৭ রান এসেছে ওপেনার ফখর জামানের ব্যাট থেকে। ৩০ রান করেছেন শাদাব খান। এছাড়া বাকি সবাই ব্যর্থ। ইমাম-উল-হক (০), বাবর আজম (০), মোহাম্মদ রিজওয়ান (১৩), সৌদ শাকিল (৫), ফাহিম আশরাফ (৫) কেউ কিছুই করতে পারেননি।
সহজ লক্ষ্যে ইংল্যান্ডের শুরুটাও ভালো ছিল না। মাত্র ৭ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান অভিষিক্ত সল্ট। তবে আর কোনও বিপদ ছাড়াই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। ডেভিড মালান ৬৯ বলে ৮ বাউন্ডারিতে অপরাজিত থাকেন ৬৮ রানে, আর ক্রলি ৫০ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৫৮ রান করে নিশ্চিত করেন দলের জয়। ইংলিশদের হারানো একমাত্র উইকেটটি নিয়েছন শাহীন আফ্রিদি।








