X
শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৩ মাঘ ১৪২৮
সেকশনস

ভারতকে হতাশায় ডুবিয়ে কিউইদের অবিশ্বাস্য ড্র

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১৮:১৬

টি-টোয়েন্টির যুগে টেস্ট ক্রিকেটের উত্তেজনা নাকিা কমে গেছে। যাদের মাথায় এমন ‘অহেতুক’ বিষয় ঘোরাফেরা করে, তাদের চোখে আঙুল দিয়ে কানপুর টেস্ট বুঝিয়ে দিলো কতটা উত্তেজনা-রোমাঞ্চ পরতে পরতে সাজানো থাকে ক্রিকেটের কুলীন সংস্করণে। ভারত-নিউজিল্যান্ড কেউ জেতেনি। ফলাফলে ‘ড্র’ লেখা থাকলেও ঠিকই জয় হয়েছে টেস্ট ক্রিকেটের। যেখানে শ্বাসরুদ্ধকর শেষ বিকালে উপভোগ্য গল্প-কাহিনি লেখা হয়ে যায় বিশুদ্ধ ক্রিকেটের কালিতে।

রোমাঞ্চের আভাস দিয়ে রেখেছিল চতুর্থ দিন। তবে ম্যাচে বাঁক বদল এভাবে হবে, সেটা হয়তো ঘুণাক্ষরেও কেউ ভাবেনি। নিউজিল্যান্ড যখন নবম উইকেট হারিয়ে ফেললো, তখনও তো দিনের খেলার বেশ খানিকটা বাকি। আর একটি উইকেট তুলে নিলেই কানপুর টেস্ট ভারতের। কিন্তু অভিষিক্ত রাচিন রবীন্দ্র ও ১১ নম্বরে নামা এজাজ প্যাটেল লিখলেন অন্য গল্প। চোয়ারবদ্ধ প্রতিজ্ঞায় চমৎকার ব্যাটিংয়ে ভারতকে হতাশায় ডুবিয়ে জয়ের সমান ড্র এনে দেন কিউইদের। তাই আলোর স্বল্পতায় নির্ধারিত সময়ের ১২ মিনিট আগে যখন শেষ দিনের খেলা শেষ হয় সফরকারীদের স্কোরে লেখা ৯৮ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬৫ রান।

জিততে নিউজিল্যান্ডের দরকার ছিল ২৮৪ রান। চতুর্থ দিনে ৪ রান তুলতে প্রথম উইকেট হারালে শেষ দিনে প্রয়োজন পড়ে ২৮০। পঞ্চম দিনের উইকেটে লক্ষ্যটা ছিল পাহাড় ডিঙানোর সমান। কিউইরা আসলে জয়ের পথে হাঁটেওনি। ড্র করার পরিকল্পনা নিয়েই শুরু করেছিল শেষ দিনের খেলা। নাইটওয়াচম্যান উইলিয়াম সমারভিলকে নিয়ে শুরুটা দারুণ করেছিলেন ওপেনার টম ল্যাথাম। যদিও ৩৬তম ওভারে গিয়ে তাদের জুটি ভাঙে সমারভিলের বিদায়ে। উমেশ যাদবের বলে ১১০ বলে ৩৬ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি।

এরপর অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের সঙ্গে প্রতিরোধ শুরু ল্যাথামের। চমৎকার ব্যাটিংয়ে হাফসেঞ্চুরিও পেয়ে যান বাঁহাতি ওপেনার। তবে ফিফটির পর আর এগোতে পারেননি রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ঘূর্ণিতে বোল্ড হয়ে ফিরে যান ১৪৬ বলে ৫২ রান করে। এরপর রবীন্দ্র জাদেজা ও অক্ষর প্যাটেলের স্পিনে যথাক্রমে রস টেলর (২) ও হেনরি নিকোলস (১) আউট হয়ে গেলে কানপুর টেস্টের নিয়ন্ত্রণ নেয় ভারত।

খানিক পর জাদেজার আঘাতে উইলিয়ামসন ঘায়েল হয়ে আরও বিপদে পড়ে কিউইরা। সফরকারী অধিনায়ক ১১২ বলে করেন ২৪ রান। উইলিয়ামসনের বিদায়ে আসলে জয় দেখে নিয়েছিল স্বাগতিকরা। সেটা আরও পূর্ণতা পাওয়ার দিকে যায় টম ব্লান্ডেলের (৩৮ বলে ২) প্রতিরোধ ভাঙলে।

এরপর কাইল জেমিসন ও টিম সাউদি বিদায় নিলে জয়টা সময়ের অপেক্ষা মনে হচ্ছিল ভারতের। কিন্তু রাচিন ও এজাজের ব্যাটে ছিল অন্যকিছু। শেষ উইকেটে ৫২ বল পার করে দেন তারা। পঞ্চম দিনে স্পিন সহায়ক পিচে সাফল্য পাওয়া জাদেজা (৪/৪০) কিংবা অশ্বিনের (৩/৩৫) কেউই তাদের আউট করতে পারেননি। রাচিন ৯১ বলে হার না মানা ১৮ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন। আর এজাজের পাশে অপরাজিত ২ রান লেখা থাকলেও ২৩টি গুরুত্বপূর্ণ বল সামলেছেন তিনি।

শেষ দিনে কিউইরা ব্যাট করেছে ৯৪ ওভার। তারপরও দিনের খেলা ১২ মিনিট আগে শেষ হয়ে যায় আলোর স্বল্পতায়। সমান্তরালে নিভে যায় ভারতের আশার আলোও। বিপরীতে অবিশ্বাস্য ড্রতে নিউজিল্যান্ড জানান দেয়, কেন তারা টেস্টের এক নম্বর দল!

/কেআর/
সম্পর্কিত
বিপিএলে ডিআরএসের বিকল্প এডিআরএস
বিপিএলে ডিআরএসের বিকল্প এডিআরএস
শুক্রবার থেকেই বড় রান করবেন মুশফিক!
শুক্রবার থেকেই বড় রান করবেন মুশফিক!
বিপিএল চট্টগ্রামে ফিরতেই স্বস্তিতে ক্রিকেটাররা
বিপিএল চট্টগ্রামে ফিরতেই স্বস্তিতে ক্রিকেটাররা
আশা করি টি-টোয়েন্টিতে আমাকে আর প্রয়োজন পড়বে না: তামিম
আশা করি টি-টোয়েন্টিতে আমাকে আর প্রয়োজন পড়বে না: তামিম
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
বিপিএলে ডিআরএসের বিকল্প এডিআরএস
বিপিএলে ডিআরএসের বিকল্প এডিআরএস
শুক্রবার থেকেই বড় রান করবেন মুশফিক!
শুক্রবার থেকেই বড় রান করবেন মুশফিক!
বিপিএল চট্টগ্রামে ফিরতেই স্বস্তিতে ক্রিকেটাররা
বিপিএল চট্টগ্রামে ফিরতেই স্বস্তিতে ক্রিকেটাররা
আশা করি টি-টোয়েন্টিতে আমাকে আর প্রয়োজন পড়বে না: তামিম
আশা করি টি-টোয়েন্টিতে আমাকে আর প্রয়োজন পড়বে না: তামিম
বাংলা ট্রিবিউন আয়োজিত বিশ্বকাপ কুইজ বিজয়ীরা পেলেন পুরস্কার 
বাংলা ট্রিবিউন আয়োজিত বিশ্বকাপ কুইজ বিজয়ীরা পেলেন পুরস্কার 
© 2022 Bangla Tribune